যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে চীনা গুপ্তচরের অণুপ্রবেশ ঘটেছে বলে গোয়েন্দা সংস্থা এম-আই-ফাইভ এর সতর্কবার্তা জারির পর ব্রিটিশ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপের অভিযোগ অস্বীকার করেছে চীন।
ব্রিটিশ নিরাপত্তা বিভাগ বলছে, ক্রিস্টাইন চিংকুই লি নামের ওই নারী গুপ্তচর চীনের কমিউনিস্ট পার্টির হয়ে যুক্তরাজ্যের বর্তমান কয়েকজন এমপি’র সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে তুলেছিলেন।
বিবিসি জানায়, ওই সময় চিংকুই লি লেবার পার্টির এক এমপিসহ অন্যান্য ব্রিটিশ রাজনীতিবিদদেরকে বড় অঙ্কের অনুদান দিয়েছেন।
লন্ডনে অবস্থিত চীনা দূতাবাস এমআইফাইভ এর বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেছে, তারা যুক্তরাজ্যের চীনা কমিউনিটির বিরুদ্ধে কালিমা লেপন এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে।
দূতাবাসের ওয়েবসাইটে এক বিবৃতিতে একজন মুখপাত্র বলেছেন, “চীন সবসময় অন্য কোনও দেশের অভ্যন্তরীন বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতিতে অটল থেকেছে।”
“আমরা কখনও কোনও বিদেশি পার্লামেন্টে প্রভাব খাটাতে চাইনি আর সেটি আমাদের করার প্রয়োজনও নেই। আমরা যুক্তরাজ্যে চীনা কমিউনিটির বিরুদ্ধে কালিমা লেপন এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের মতো কূটকৌশলের তীব্র বিরোধিতা করছি।”
চিংকুই লিয়ের দাবি, যুক্তরাজ্যের চীনাদের প্রতিনিধিত্ব করা এবং বৈচিত্র্য বাড়ানোর জন্যই পার্লামেন্টের এমপি’দের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা ছিল।
তবে ব্রিটিশ গোয়েন্দা সংস্থা এমআইফাইভ বলছে, চীন এবং হংকংয়ে অবস্থান করা বিদেশি নাগরিকদের দেওয়া অর্থে ইউনাইটেড ফ্রন্ট ওয়ার্ক ডিপার্টমেন্টের সঙ্গে গোপন সমন্বয়ের মধ্য দিয়ে এই কর্মকাণ্ড চলেছে।
ব্রিটিশ এই নিরাপত্তা দপ্তর বলছে, “যুক্তরাজ্যজুড়ে রাজনৈতিক পরিমন্ডলের ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে একান্ত ঘনিষ্ঠতা ছিল চিংকুই লি’র।” এমনকী বর্তমানে ভেঙে যাওয়া অল পার্টি পার্লামেন্টারি গ্রুপের সঙ্গেও তার সাহচর্য ছিল।
পিএসএন/এএপি


