এসআরবি’র বোম ডিসপোজাল টিম ও ডগ স্কোয়াড মাঠে
খুলনা (০৪ নভেম্বর)
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বাগেরহাট ও খুলনা জেলায় দিনব্যাপী সরকারি সফরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি এ দুই জেলায় একাধিক উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় খুলনা ও বাগেরহাট নিরাপত্তার আওতায় আনা হয়েছে। ইতোমধ্যেই স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-৬) বোম ডিসপোজাল টিম ও ডগ স্কোয়াড কাজ শুরু করেছে।
জানতে চাইলে এসআরবি-৬ এর অধিনায়ক নিস্তার আহমেদ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় টহল জোরদার করা হয়েছে। সাদা পোশাকে দায়িত্ব পালন করছে। এছাড়া গোয়েন্দা নজরদারী বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি এসআরবি’র বোম ডিসপোজাল টিম ও ডগ স্কোয়াড কাজ শুরু করেছে। সবমিলিয়ে শতভাগ নিরাপত্তার আওতায় আনা হয়েছে।
খুলনা মেট্রেপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ সাজ্জাদুর রহমান প্রধানমন্ত্রীকে চার স্তারের নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে। গোটা নগরে পুলিশ চেক পোষ্ট বসানো সহ টহল বাড়ানো হয়েছ। প্রতিটি স্থানে পুলিশ মোতায়েন থাকবে। এছাড়া সাদা পোশাকে পুলিশ থাকবে। গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করা হয়েছে।
খুলনা জেলা পুলিশ সুপার সরকার ওমর ফারুক বলেন, গতকাল মঙ্গলবার নিরাপত্তা বিয়য়ক বৈঠকে যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে- আমরা সেভাবেই কাজ করছি। ইতোমধ্যেই রূপসার কুটির বটতলা থেকে শুরু করে প্রধানমন্ত্রীর আগমনের সড়ক পথগুলো পরিদর্শনসহ পর্যাপ্ত নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, সফরসূচি অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী নিজ বাসভবন থেকে সড়কপথে তেজগাঁও বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন। সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টারযোগে বাগেরহাটের মোংলা বন্দরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন।
সকাল ১০টায় মোংলা বন্দরে পৌঁছানোর পর সেখানে ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ ও চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের (সিআরসিসি) মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে যোগদান এবং শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। এরপর সকাল সাড়ে ১০টায় মোংলা বন্দরের সুবিধাদি সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ২টি কনটেইনার জেটি নির্মাণ এবং আনুষঙ্গিক সুবিধাদি উন্নয়ন কার্যক্রমের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।
বন্দর এলাকার কর্মসূচি শেষে বেলা ১১টা ১৫ মিনিটে সড়কপথে হযরত খান জাহান আলী (রঃ)-এর মাজার শরীফের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী। দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে মাজার প্রাঙ্গণে পৌঁছে জিয়ারত করবেন।
দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে মাজার শরীফ থেকে সড়কপথে খুলনা শহরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে খুলনা সার্কিট হাউজে পৌঁছাবেন এবং সেখানে কিছু সময় বিরতি নেবেন।
এরপর বিকেল ৩টায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে শিশু-কিশোরদের ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণে খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে আয়োজিত ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২)’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।
বিকেল সাড়ে ৪টায় হেলিপ্যাডে উপস্থিত হয়ে হেলিকপ্টারযোগে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবেন এবং বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছাবেন।
প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে বাগেরহাট ও খুলনা জেলা প্রশাসন এবং বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
বিএনপির দলীয় সূত্র জানায়, সড়কপথে আসার পথে প্রধানমন্ত্রী রূপসার কুদির বটতলায় এবং নগরীর ডাকবাংলো মোড়ে গাড়ি দাড় করিয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দিতে পারেন।


