বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ
আগামীকাল ২৫ নভেম্বর খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাকার্যক্রমের একত্রিশ বছর পূর্তি। করোনা মহামারীর কারণে গত বছর সীমিত কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হলেও এবছর বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রাসহ বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, বিকাল সাড়ে ৩টায় মুক্তমঞ্চে বিভাগ/ডিসিপ্লিনসমূহের গত বছরের অর্জন ও আগামী বছরের পরিকল্পনা উপস্থাপন, বিকাল ৪.২০ মিনিটে বিগত বছরের কৃতিত্ব অর্জনকারী শিক্ষার্থী ও সংগঠনমূহকে সম্মাননা প্রদান। এটি এ বছরের প্রথম আয়োজন। এছাড়া অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে বাদ যোহর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে দোয়া মাহফিল ও মন্দিরে প্রার্থনা। এ উপলক্ষ্যে ক্যাম্পাসের মেইন গেট, রাস্তা, শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ ভবন, উপাচার্যের বাসভবন, ক্যাফেটেরিয়া, একাডেমিক ভবন ও হলসমূহ আলোকসজ্জা করা হয়েছে।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষ্যে ভাইস-চ্যান্সেলরের শুভেচ্ছা
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস ও শিক্ষাকার্যক্রমের একত্রিশ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী, শিক্ষা উপমন্ত্রী, শিক্ষা সচিব, ইউজিসির চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, দেশবাসীসহ খুলনার সর্বস্তরের মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। একই সাথে তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, নিরবিচ্ছিন্নভাবে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শিক্ষাকার্যক্রমের ৩১ বছর পূর্তি নিঃসন্দেহে দেশে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনন্য অর্জন ও গৌরবের। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে রয়েছে অপ্রমিত সম্ভাবনা। সুন্দরবনসহ গোটা দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় এলাকার শ্রেষ্ঠ শিক্ষা ও গবেষণা কেন্দ্র হবে এই বিশ্ববিদ্যালয়। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এ বিশ্ববিদ্যালয়কে সামনে এগিয়ে নিতে আমরা সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার গুণগত মানোন্নয়ন, গবেষণা কার্যক্রম জোরদার এবং অবকাঠামোগত সুবিধা বৃদ্ধির ওপর সবিশেষ গুরুত্ব দিয়েছি। মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ ধারণ করে এ বিশ্ববিদ্যালয়কে আমরা এগিয়ে নিতে চাই। সমৃদ্ধির এ সম্মুখযাত্রায় বর্তমান ৪র্থ শিল্প বিপ্লবের সাথে তাল মিলিয়ে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় তার অভীষ্ট লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে। শিক্ষা গবেষণাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের যে অর্জন ও সুদৃঢ়ভিত্তি রচিত হয়েছে তা আগামী দিনের সাফল্যের পথে এগিয়ে যেতে আমাদের অনুপ্রাণিত করবে। নিকট ভবিষ্যতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হবে ৩১ বছর পূর্তির এই মাহেন্দ্রক্ষণে সে প্রত্যাশা করি।
প্রো-ভাইস চ্যান্সেলরের শুভেচ্ছা
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস ও শিক্ষাকার্যক্রমের একত্রিশ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা এক শুভেচ্ছা বিবৃতি দিয়েছেন। তিনি বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় এতদাঞ্চলের মানুষের আন্দোলন সংগ্রামের ফসল। সঙ্গত কারণেই এ বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে মানুষের আশা-আকাক্সক্ষা অনেক বেশি। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় সে বিষয়টি ধারণ করেই সামনে এগিয়ে যাচ্ছে। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাকার্যক্রমের একত্রিশ বছর পূর্তি নিঃসন্দেহে সবচেয়ে বড় অর্জন। এই অর্জনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং খুলনার রাজনীতিক, প্রশাসন, সাংবাদিক, শিক্ষাবিদ, সামাজিক নেতৃবৃন্দসহ সর্বসাধারণ অকুণ্ঠ সমর্থন ও ভূমিকা পালন করেছেন। আমি তাদের সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা জানাই। আগামী দিনেও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় এই সাফল্যের ধারা অব্যাহত রেখে অভীষ্ট লক্ষ্যে এগিয়ে যাবে আজ এ দিনে সে প্রত্যাশা করি।


