আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস আজ বৃহস্পতিবার (৮ সেপ্টেম্বর)। সারাবিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশেও প্রতিবছর দিবসটি পালন করা হয়। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘সাক্ষরতা শিখন ক্ষেত্রের প্রসার’।

সাক্ষরতা বিস্তারে আন্তর্জাতিক ফোরামের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো সাক্ষরতা দিবস পালিত হয়।

আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালনের প্রস্তুতি তুলে ধরতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেন, এই দিনকে ঘিরে বৃহস্পতিবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এর মধ্যে পথযাত্রা, র‌্যালি, সভা ও সেমিনার করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে সাক্ষরতার হার ৭৫ দশমিক ৬ শতাংশ। এখনো ২৪ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষ সাক্ষরতার বাইরে। তাদের সাক্ষরতার আওতায় আনতে নানা ধরনের কর্মসূচি হাতে নেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, গত কয়েক বছরে দেশের ৬৪ জেলার নির্বাচিত ২৪৮টি উপজেলার ১৫-৪৫ বয়সী ৪৪ লাখ ৬০ হাজার নিরক্ষরকে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর মাধ্যমে মৌলিক সাক্ষরতা জ্ঞান দেওয়া হয়েছে। এ কার্যক্রম শেষ হয়েছে গত ৩০ জুলাই। এর বাইরে পিইডিবি-৪ প্রকল্পের আওতায় স্কুল থেকে ঝরেপড়া ও স্কুলে যায়নি এমন ৬ লাখ শিক্ষার্থীদের মৌখিক শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে। এরপর তাদের হাতে কাজে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, দেশে এখনও সাক্ষরতার কোনো রূপরেখা তৈরি হয়নি। কতটুক শিখলে সাক্ষরতা জ্ঞান অর্জন হবে তার একটি রূপরেখা করা হবে। দেশে চার কোটি মানুষের বেশি যারা এখনও সাক্ষরতার বাইরে রয়েছে। তাদের এর আওতায় আনা হবে।