সাকিব আল হাসানের মতো লাথি দিয়ে স্ট্যাম্প ভাঙেননি। তবে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ যা করেছেন, সেটাও কম দৃষ্টিকটু নয়। ক্রিকেটীয় উদ্যমের সঙ্গে যা একেবারেই যায় না। তবু এক ম্যাচ হলে কথা ছিল, দু’দুটি ম্যাচে অসদাচরণ করেছেন জাতীয় দলের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক।

ঘটনা ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের। আবাহনী লিমিটেডের বিপক্ষে একটি ওয়াইড ও প্রাইম ব্যাংকের বিপক্ষে কট বিহাইন্ড নিয়ে দেওয়া আম্পায়ারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অসন্তোষ প্রকাশ করে শাস্তির মুখোমুখি হলেন মাহমুদউল্লাহ। পরপর দুই ম্যাচে এমন অসৌজন্যমূলক আচরণ করায় তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।https://d301517a21b6b57725422a60da70d180.safeframe.googlesyndication.com/safeframe/1-0-38/html/container.html

ম্যাচ রেফারি রকিবুল হাসান জানান, মাহমুদউল্লাহ আচরণবিধির লেভেল-২ ভঙ্গ করেছেন। আগের ম্যাচেও পেনাল্টি পেয়েছিলেন, পরের ম্যাচে আরও বড় ভুল করে ডাবল পেনাল্টির শাস্তিতে পড়েছেন তিনি।

সবশেষ ঘটনাটি বুধবারের। শেরে বাংলায় প্রাইম ব্যাংকের ব্যাটসম্যান অলক কাপালির বিপক্ষে কট বিহাইন্ডের জোরালো আবেদন করেছিলেন গাজী গ্রুপের বাঁহাতি স্পিনার নাসুম আহমেদ।

কিপার আকবর আলী ও গাজী গ্রুপের প্রায় সব ফিল্ডার একসঙ্গে আবেদন করেছিলেন। কিন্তু আম্পায়ার ছিলেন নীরব। তাতেই মেজাজ ধরে রাখতে পারেননি গাজী গ্রুপ অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ।

মিড অন থেকে ছুটে গেলেন পিচের কাছে। তারপর হাত-পা ছুড়ে আবেদন করলেন। এক পর্যায়ে দাঁড়ানো থেকে বসে যান, মাটিতে বসে দু’হাত মাটিতে আছড়ে বারবার আবেদন করতে থাকলেন।

সব শেষ প্রায় আছড়ে পড়ে যাচ্ছিলেন মাটিতে। কিন্তু আবেদনের চোটপাট কমেনি। এরপর খানিক্ষণ মাটিতে বসে একরকম প্রতীকী প্রতিবাদের মতো করেন মাহমুদউল্লাহ।

এর আগের দিন আবাহনীর বিপক্ষে ম্যাচে মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধর একটি ডেলিভারি ওয়াইড দিয়েছিলেন আম্পায়ার। মাহমুদউল্লাহ তার পরই বাউন্ডারি লাইন থেকে ক্ষিপ্ত ভঙ্গিতে যান আম্পায়ারদের দিকে। এরপর ক্ষুব্ধ চেহারায় তাকে কথা বলতেও দেখা যায়।