বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ‘গার্ড অব অনার’ দেওয়ার ক্ষেত্রে নারী কর্মকর্তাদের বাদ রাখতে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সংসদীয় কমিটির সুপারিশ দেখা হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

সোমবার (১৪ জুন) জাতীয় সংসদ ভবনে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

রোববার (১৩ জুন) সংসদীয় কমিটির বৈঠকে ‘গার্ড অব অনার’ দেওয়ার ক্ষেত্রে নারী ইউএনওদের বিকল্প খুঁজতে সরকারের কাছে সুপারিশ রাখা হয়েছে।

সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ‘গার্ড অব অনার’ দেওয়ার ক্ষেত্রে দিনের বেলায় আয়োজন করা এবং নারী ইউএনওর বিকল্প ব্যক্তি নির্ধারণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।

সরকারের নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো বীর মুক্তিযোদ্ধা মারা যাওয়ার পর তাকে রাষ্ট্রীয় সম্মান জানায় সংশ্লিষ্ট জেলা/উপজেলা প্রশাসন। ডিসি বা ইউএনও সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে সেখানে থাকেন। কফিনে সরকারের প্রতিনিধিত্বকারী কর্মকর্তা ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্বে নারী কর্মকর্তাদের বিষয়ে আপত্তি তুলেছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।

এ বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, আমি খবরে দেখেছি।

মিটিংয়ে কী বলেছেন সেটা দেখতে হবে। অনেক সময় কোর্টে কোনো পক্ষ হাইকোর্টের রুলিং দেখিয়ে বলেন, রুটিংয়ে এটা আছে, পড়ে শোনাতে বলার পর দেখা যায় ইম্পিগেশনটা উল্টো।

তিনি বলেন, রাষ্ট্র যে আদেশ দেবে সেটা অবশ্যই মেনে চলতে হবে। কল্যাণকর যদি আদেশ দেয় সেটা মেনে চলতে হবে। আমাকে জানতে হবে। ‘গার্ড অব অনার’ নিয়ে কেন বলেছেন জানি না। ধর্মীয় বিধান নিয়ে যদি বলতো তাহলে বলা যেত। লেট আস সি।