গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার হাসনা খাতুন হেনা (১০) নামের এক মোক্তবের ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনার দায়ে মোক্তব শিক্ষক মোরসালীন মিয়াকে (১৯) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৩ মার্চ) গাইবান্ধা পুলিশ সুপারের কার্যালয় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তথ্য জানানো হয়।
পুলিশ সুপার তৌহিদুল ইসলাম জানান, গত ২৬ ফেব্রয়ারি সকালে আসামি মোরসালীন মিয়া যাথারীতি মসজিদের ভিতর মোক্তব পড়ানো শেষে হাসনা খাতুন হেনা ১০ টাকার নোট দিয়ে দোকান থেকে বিস্কুট আনতে বলেন। বিস্কুট আনার পর আরও দুইটি মেয়েকে বিস্কুট খাওন তিনি। সকাল ৮টার দিকে মোরসালীন মিয়া তার বাইসাইকেল যোগে বর্ধন কুঠি এলাকায় জহিরুলের বাড়িতে মক্তব পড়ানোর জন্য যান। মোক্তব পড়ানো শেষে আনুমানিক ৯টার দিকে সে তার মসজিদ সংলগ্ন বসবাসরত টিনের ঘরে আসেন। পাশের এক বাড়িতে সকালের খাবার খেয়ে আসার পথে রাস্তায় হাসনাকে দেখে ডাক দিলে তার থাকার জায়গা টিনের ঘরে আসে হাসনা। ঘরে আসলে প্রথমে আসামি মোরসালীন হাসনা খাতুন হেনাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। যখন হাসনা বলে আমি আমার নানীকে বলে দেব তখন মোরসালীন ক্ষুব্ধ হয়ে হাসনার গলা টিপে ধরলে হাসনা নিস্তেজ হয়ে পরে। তখন তাকে ধর্ষণ করেন। ধর্ষণ শেষে হাসনার পরিহিত হিজাব দিয়ে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করা হয়।
হত্যা করার পর তাকে মসজিদের বালুভর্তি বস্তা খালি করে তাকে বস্তা বন্দি করেন। হত্যাকাণ্ডের ঘটনাকে অন্যখাতে প্রবাহিত করার জন্য সকাল ১১টার দিকে লাশটিকে তার বাইসাকেলের ক্যারিয়ারের পিছনে বেঁধে বর্ধন কুঠির মানিক কাজীর বাঁশ ঝাঁড়ের ভেতর রেখে আসেন। উক্ত ঘটনায় সন্দেহভাজন আরো তিনজনকে আটক করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষ তাদের বিরুদ্ধে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়।
পিএসএন/এমঅাই


