মূল সিরিজ শুরুর আগে একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচ। সেটাও আবার নিজেদের মধ্যে ভাগ হয়ে। করোনার কারণে শ্রীলঙ্কার কোনো স্থানীয় দলকে প্রতিপক্ষ হিসেবে পাওয়া যায়নি। তাই টাইগাররাই নিজেদের মধ্যে দুই ভাগ হয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে।

কাটুনায়াকের চিলাও মারিয়ানস ক্রিকেট ক্লাব গ্রাউন্ডে দুইদিনের এই প্রস্তুতি ম্যাচে ব্যাটসম্যানরা বেশ করে ঝালিয়ে নিয়েছেন নিজেদের। রান পেয়েছেন টপঅর্ডারের সবাই। যা দেখে ভীষণ খুশি প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু।

দুইদিনের ম্যাচে প্রথম দিনে লাল দল চা-বিরতিতে গেছে বিনা উইকেটেই ২০৪ রান নিয়ে। তামিম ইকবাল ৬৩ এবং সাইফ হাসান ৫২ রান করার পর স্বেচ্ছায় অবসরে গেছেন। হাফসেঞ্চুরি পেয়েছেন নাজমুল হোসেন শান্তও। ৫৩ রানে অপরাজিত আছেন এই বাঁহাতি। ২৯ রানে ব্যাট করছেন মুশফিক।

টপঅর্ডারের ব্যাটিং দেখে তৃপ্ত নান্নু বলেন, ‘উইকেটের যে কন্ডিশন ছিল, প্রথম ঘন্টায় ব্যাটিং করা কঠিন ছিল। আমাদের ওপেনার তামিম, সাইফ দারুণ ব্যাটিং করেছে। শান্ত, মুশফিকও দুর্দান্ত ব্যাটিং করেছে। বোলাররাও নিজেদের সেরাটা দিয়ে চেষ্টা করেছে অভ্যস্ত হওয়ার জন্য। আমার বিশ্বাস এই প্র্যাকটিস ম্যাচ থেকে আমরা যথেষ্ট ভালো কিছু ফিডব্যাক পেয়েছি। আগামী দিন খেলা শেষ হওয়ার পর টেস্ট ক্রিকেটের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুতি নিতে পারব।’

উইকেট পেতে বোলারদের ঘাম ঝরেছে, এটা কি নেতিবাচক দিক? নান্নু তেমনটা মনে করেন না। তার পর্যবেক্ষণ, ‘প্র্যাকটিস ম্যাচে বোলারদের জন্য খুব কঠিন একটা সেশন গিয়েছে। যে উইকেট ও কন্ডিশন…বাউন্স যথেষ্ট ভালো, যেহেতু এটা অনেকটা ফ্ল্যাট ট্র্যাকের মত। হয়তো টেস্টেও এরকম কন্ডিশন হতে পারে, এই গরমের মধ্যে ভালো জায়গায় বল করা, মনযোগ থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আগামীকার আরও একটা দিন বাকি আছে, ম্যাচ প্র্যাকটিসে অভ্যস্ত হওয়ার জন্য। আমার বিশ্বাস যে, আমাদের বোলাররা খুব তাড়াতাড়ি অভ্যস্ত হতে পারবে, টেস্ট ক্রিকেটের আগে প্রস্তুতির জন্য যথেষ্ট কাজে লাগবে।’

লঙ্কান কন্ডিশনে মানিয়ে নেয়ার জন্য এই প্রস্তুতি ম্যাচটা বেশ কাজে দেবে, মনে করছেন প্রধান নির্বাচক। তার কথা, ‘এটা আমাদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কারণ আমরা শ্রীলঙ্কায় আসার পর অনুশীলন ম্যাচের যে আয়োজন, এই আয়োজনে আমরা ফ্যাসিলিটিজগুলো পুরোপুরি ব্যবহার করতে পেরেছি। আমাদের খেলোয়াড়েরা দুইদিন অনুশীলনের পরই এই প্র্যাকটিস ম্যাচটা পেয়েছে, এটা আমাদের জন্য যথেষ্ট উপকার হয়েছে। বিশেষ করে ওয়েদার, কন্ডিশন সবকিছুর সাথে মানিয়ে নেয়ার জন্য।’