জনউদ্যোগ,খুলনার প্রতিবাদ সভায় বক্তারা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

সমাজ ও রাষ্ট্রের সকল অনিয়ম-অসঙ্গতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার পাশাপাশি বীর মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারের অধিকার আদায়ের জন্য আন্দোলন ও সংগ্রাম করতে হবে। একজন কলেজ পড়ুয়া নারীর অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে যারা অপরাধ করেছে, তা দেশের প্রচলিত আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। “আমরা বিশ্বাস করি, বর্তমান সরকার আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর। মহান মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে, যা আমাদের জন্য লজ্জাজনক।” বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কলেজ ছাত্রী মোসারাত জাহান মুনিয়ার হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। এসব কথা বললেন জনউদ্যোগ,খুলনার ভার্চ্যুয়াল প্রতিবাদ সভায় বক্তারা।


আজ সোমবার বিকার ৪টায় জনউদ্যোগ,খুলনার আয়োজনে ঢাকার গুলশানে কলেজ ছাত্রী মোসারাত জাহান মুনিয়ার এর মৃত্যুর সাথে সম্পৃক্তদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে ভার্চ্যুয়াল প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জনউদ্যোগ খুলনার নারী সেলের আহবায়ক এ্যাড :শামীমা সুলতানা শীলু। সূচনা বক্তব্য রাখেন জনউদ্যোগ এর কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব তারিক হোসেন। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এ্যাড: আব্দুল্লাহ হোসেন বাচ্চু, বাংলাদেশ মানবাধিকার সংস্থার সমন্বয়কারী এ্যাড: মোমিনুল ইসলাম, মহানগর আওয়ামীলীগের নেতা ও নাগরিক নেতা জাহাঙ্গীর আলম, সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলম পান্না, যশোরে জনউদ্যোগ নেত্রী বীথিকা সরকার, এ্যাড: পপী ব্যানার্জী,মহিলা সমিতির ইসরাত আরা হীরা, চিশতী মুস্তারী বানু, কানিজ সুলতানা,উম্মুর রেদা, সুরাইয়া পারভীন, সাকেরা বানু, আগুয়ান-৭১ এর আবিদ শান্ত প্রমুখ। সভা পরিচালনা করেন জনউদ্যোগ,খুলনার সদস্য সচিব মহেন্দ্রনাথ সেন।


বক্তারা বলেন, “মুনিয়া হত্যাকান্ডকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য নানাবিধ ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। প্রকৃত ঘটনাকে আড়াল করার জন্য একটি চক্র মুনিয়ার চরিত্র হননে লিপ্ত হয়েছে।