লোকসানের বোঝা বইতে না পেরে টানা দুই মাস বন্ধ ছিল মধুমিতা সিনেমা হল। চলতি মাসের ২০ তারিখে মুক্তি পাওয়া ‘অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন’ সিনেমাটিকে অবলম্বন করে ফের খোলা হয় প্রেক্ষাগৃহটি।

আশা করা হয়েছিল, শিশুতোষ এ সিনেমাটির হাত ধরে ঘুরে দাঁড়াবে সিনেমা হলটি । কিন্তু সে গুড়ে বালি। ছবিটির নূন্যতম সংখ্যক দর্শক টানতে ব্যর্থ হওয়ায় ফের হল বন্ধ করে দেওয়ার কথা ভাবছেন মধুমিতার কর্ণধার ইফতেখার উদ্দিন নওশাদ।


তিনি বলেন, ‘খুবই খারাপ অবস্থা। মোটেও দর্শক নেই। চারদিন ধরে চলছে ছবিটি। কিন্তু একদিনের খরচই উঠে আসেনি এখন পর্যন্ত। আজ মঙ্গলবার মাত্র সাত-আটজন দর্শক এসেছেন ছবিটি দেখতে। এর আগে গত রোববার শো বন্ধ রাখতে হয়েছে। কেননা, মাত্র দুইজন দর্শক ছিল।’

নওশাদ আরও বলেন, “বছরের পর বছর লোকসানের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি আমরা। এভাবে সম্ভব না। আজই হল বন্ধ করে দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু দেইনি। তবে আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে মধুমিতা বন্ধ করে দিতে পারি। যদি বলিউডের ‘পাঠান’ মুক্তির অনুমতি পায় তাহলে ভিন্ন চিন্তা করব।”

কথা প্রসঙ্গে ‘অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন’ সিনেমাটিকে মানহীন বলে আখ্যা দেন তিনি। নওশাদ বলেন, ‘এটি একেবারেই মানহীন ছবি। বাজে গল্প, গানগুলোও ভালো লাগার মতো না। তাহলে মানুষ কেন আসবে এই ছবি দেখতে? এ ধরনের ছবি নির্মাণ হতে থাকলে চলচ্চিত্রশিল্প বা হল কোনোটাই টিকিয়ে রাখা সম্ভব না।’

গেল ২০ জানুয়ারি মুক্তি পেয়েছে আবু রায়হান জুয়েল পরিচালিত ‘অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন’ সিনেমাটি। বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, জনপ্রিয় সায়েন্স ফিকশন লেখক ও খ্যাতিমান শিশুসাহিত্যিক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালের ‘রাতুলের রাত রাতুলের দিন’ থেকে নির্মিত হয়েছে এই ছবি। এতে জুটি বেঁধে অভিনয় করেছেন পরীমণির ও সিয়াম।