হাবিব ওয়াহিদ। নন্দিত কণ্ঠশিল্পী ও সংগীতায়োজক। এ সময়ের কয়েকটি একক ও দ্বৈত গানের আয়োজন নিয়ে কাটছে তার ব্যস্ত সময়। নতুন আয়োজন ও অন্যান্য বিষয়ে কথা হয় তার সঙ্গে-
স্টেজ শোতে সেভাবে দেখা মিলছে না আপনার। নতুন গানের আয়োজন নিয়েই কি ব্যস্ত সময় পার করছেন?
নতুন কিছু করার চেষ্টা তো সব সময় ছিল। সে জন্য দিনরাত রেকর্ডিং স্টুডিওতে কাজে ডুবে থাকি। সৃষ্টির নেশা যখন পেয়ে বসে, তখন স্টুডিও থেকে বের হওয়া কঠিন। এখন বেশ কিছু গানের কাজ নিয়ে ব্যস্ত। তাই স্টুডিওতেই কাটছে বেশিরভাগ সময়। শুধু এ কারণেই যে স্টেজ শো কম করছি, তা নয়। স্টেজ শোর বিষয়ে আয়োজকদের কাছে আমার প্রথম চাওয়া থাকে, সাউন্ড সিস্টেম যেন উন্নতমানের হয়। শোর জন্য আমি পারিশ্রমিক কমাতে রাজি আছি। কিন্তু ভালো সাউন্ড ছাড়া শো করতে রাজি নই। এটা নিশ্চিত করেই শোতে অংশ নিচ্ছি।
নতুন যে গানগুলো তৈরি করেছেন, সেগুলো কবে নাগাদ প্রকাশ করার ইচ্ছা?
এ সপ্তাহেই একটি দ্বৈত গান প্রকাশ করার পরিকল্পনা আছে। ‘ভালোবাসার অচিনপুরে’ শিরোনামের নতুন গানে আমার সঙ্গে কণ্ঠ দিয়েছেন সৌরিন। এর পাশাপাশি নতুন কয়েকজন শিল্পীর গান রেকর্ড করছি। সেগুলো বছরের বিভিন্ন সময় একে একে আমার ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ করব।
অনেক দিন ধরে নতুন শিল্পীদের নিয়ে কাজ করছেন। নতুনদের প্রাধান্য দেওয়ার কারণ কী?
নতুনদের জন্য কাউকে না কাউকে তো ভাবতে হবে। নিজের যে অভিজ্ঞতা, সেটাকে পুঁজি করেই নতুনদের জন্য কিছু করতে চাই। সে ভাবনা থেকেই আমার এইচডব্লিউ প্রডাকশন থেকে কিছু তরুণ শিল্পীকে শ্রোতাদের সামনে আনার চেষ্টা করে যাচ্ছি, যারা একটি প্ল্যাটফর্ম থেকে আমার সুর-সংগীতের গানগুলো শ্রোতাদের কাছে তুলে ধরবে।
আপনি বিভিন্ন সময় নিরীক্ষাধর্মী কাজ করেন। নতুনদের সঙ্গেও কি নিরীক্ষাধর্মী কাজ করার পরিকল্পনা আছে?
আমার ইউটিউব চ্যানেলের জন্য বেশ কিছু এক্সপেরিমেন্টাল কাজ করেছি। সেখানে নতুনদের নিয়েও কাজ হয়েছে। এই সময়েও নতুনদের সঙ্গে গানের নিরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছি। নিজের চ্যানেল বলেই এ সুযোগটা আছে।
নতুন কোনো ছবিতে প্লেব্যাক করেছেন?
‘গলুই’ ছবির পর আর কোনো ছবিতে প্লেব্যাক করিনি। তবে ভালো কাজের সুযোগ হলে যে কোনো সময় প্লেব্যাকের জন্য প্রস্তুত।
পিএস/এনআই



