প্রেস বিজ্ঞপ্তি
খুলনা জেলা বিএনপি গতকাল মঙ্গলবার (২৬ মে) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বিশ্বখ্যাত ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সুন্দরবন ঘেঁষা দেশের উপকূলীয় অ ল খুলনার কয়রা, দাকোপ, পাইকগাছা, সাতক্ষীরার শ্যামনগর, বাগেরহাটের শরণখোলা, মোড়েলগঞ্জ ও মংলা এলাকায় সংস্কারের অভাবে বেড়িবাঁধের নাজুক অবস্থা। একেরপর পর প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিধ্বস্ত হলেও টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হয়নি। ফলে ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’ হিংস্ররূপে বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত না হানলেও অতিরিক্ত জোয়ারের চাপে ভঙ্গুর বেড়িবাঁধ ভেঙে ও উপচে প্লাবিত হয়েছে বিস্তৃণ এলাকা। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বিশাল জনগোষ্ঠি। মহামারী করোনা পরিস্থিতির মধ্যে ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’র জলোচ্ছাসের ফলে বহু মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়তে পারে। তাই আর সরকারি অর্থ লুটপাটের বাণিজ্যিক মনোভাব পরিহার করে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের আহবান জানিয়েছেন খুলনা জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ।
ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’ থেকে বাংলাদেশের উপকূলকে রক্ষা করায় মহান সৃষ্টিকর্তার প্রতি শুকরিয়া আদায় করে বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ আরও বলেছেন, খুলনার কয়রা, পাইকগাছা, দাকোপ এলাকার বেড়িবাঁধ গেল এক যুগেও যথাযত সংস্কার হয়নি। বরাদ্দ হলেও সরকার দলীয় ঠিকাদার, জনপ্রতিনিধি ঠিকাদার নিজেই পর্দার আড়ালে থেকে সরকারি অর্থ সীমাহীন লুটপাট করেছে। বেড়িবাঁধ নির্মাণের প্রলোভনে উপকূলবাসীর ভাগ্য নিয়ে বারবার নিষ্ঠুর খেলা করেছে কতিপয় স্বার্থন্বেষী ব্যক্তি। সময় ও সুযোগ পেলে এসব অনিয়ম-দুর্নীতির উপযুক্ত জবাব দিতে প্রস্তুত উপকূলবাসী। বিবৃতিতে দলীয় নেতাকর্মীদের অসহায় উপকূলবাসীর পাশে দাড়িয়ে সহযোগিতার আহবান জানিয়েছেন নেতৃবৃন্দ।
বিবৃতিদাতারা হলেন জেলা বিএনপি’র সভাপতি এ্যাড. এসএম শফিকুল আলম মনা, সাধারণ সম্পাদক আমীর এজাজ খান, সিনিয়র সহ-সভাপতি অধ্যাপক ডাঃ গাজী আবদুল হক, গাজী তাফছির আহম্মেদ, মনিরুজ্জামান মন্টু, শেখ আব্দুর রশিদ, মোল­া খায়রুল ইসলাম, এ্যাড. শরিফুল ইসলাম জোয়াদ্দার খোকন, এ্যাড. মাসুম আল রশিদ, শেখ আবু হোসেন বাবু, জিএম কামরুজামান টুকু, কেএম আশরাফুল আলম নান্নু, এ্যাড. এ কে এম শহিদুল আলম, এ্যাড. তছলিমা খাতুন ছন্দা ও শেখ শামছুল আলম পিন্টু প্রমুখ।