মিয়ানমারের পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্তবর্তী অঞ্চলে দেশটির সেনাবাহিনীর সঙ্গে বিদ্রোহীদের তীব্র লড়াই শুরু হয়েছে। সেখানকার কারেন বিদ্রোহীরা সেনা চৌকিতে হামলা করলে এই লড়াই শুরু হয়। খবর : আল জাজিরা।

মঙ্গলবার ভোর থেকে বিদ্রোহী কারেন আর্মির নিয়ন্ত্রণে থাকা এলাকাটিতে দুই পক্ষের মধ্যে লড়াই শুরু হয়। কারেন ন্যাশনাল ইউনিয়ন (কেএনইউ) দাবি করেছে, তারা সেনাবাহিনীর চৌকিটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছে।

মিয়ানমারে ১ ফেব্রুয়ারির সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকেই সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন এলাকায় লড়াই চলছে। তবে এটি সবচেয়ে তীব্র লড়াইগুলোর মধ্যে একটি।

যেখানে এই লড়াই হচ্ছে সেটি থাইল্যান্ডের খুবই নিকটে। সেখানকার থাই গ্রামবাসী জানিয়েছে, সকাল থেকেই ব্যাপক গোলাগুলি শুরু হয়।

কেএনইউ’র বাহিনীগুলো স্থানীয় সময় ভোর ৫টা থেকে ৬টার মধ্যে সীমান্ত চৌকিটি দখল করে নেয়। সেটি দখল করে পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে।

মিয়ানমারের ওই ঘাঁটির সৈন্যদের সঙ্গে যোগাযোগ থাকা থাইল্যান্ডের গ্রামবাসী জানিয়েছে, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে কেএনইউ’র বাহিনীগুলো এই ঘাঁটিটি ঘেরাও করে রেখেছিল। সেখানে পর্যাপ্ত খাবার ছিল না। মিয়ানমারের সেনাবাহিনী দেশটির ক্ষমতা দখল করার পর থেকেই ওই সীমান্ত অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় কেএনইউ বাহিনীগুলোর সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ শুরু হয়।

বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, যেসব অসামরিক নাগরিক সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করতে আগ্রহী, তাদের প্রশিক্ষণ দিয়েছে কারেন বিদ্রোহীরা।

মঙ্গলবারের এই হামলায় একজন থাই নাগরিক আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। তবে এ ঘটনায় মিয়ানমার সেনাবাহিনীর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।