ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার সৈয়দপুর গ্রামের আবদুল কুদ্দুস মোল্লার বাড়ি থেকে রহিমা বেগমকে উদ্ধার করা হয়।

শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাত পৌনে ১১টার দিকে তার কাছ থেকে একটি শপিং ব্যাগ পাওয়া যায় বলে জানিয়েছেন পিবিআই খুলনার পুলিশ সুপার সৈয়দ মুশফিকুর রহমান।

পিবিআই খুলনার পুলিশ সুপার সৈয়দ মুশফিকুর রহমান জানান, রহিমা বেগমের কাছ থেকে একটি শপিং ব্যাগ উদ্ধার করা হয়েছে। ব্যাগের মধ্যে ওড়না, হিজাব, আয়না, শাড়ি, চোখের ড্রপ, ব্যবহৃত সালোয়ার কামিজ ও ক্রিম ছিল। স্বাভাবিকভাবে কাউকে অপহরণকারীরা নিয়ে গেলে এই জিনিসগুলো তার সঙ্গে থাকার কথা না। আপাতদৃষ্টিতে মনে হচ্ছে এটা অপহরণ নাও হতে পারে।’

এর আগে দুপুর ১২টার দিকে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, ‘রহিমা বেগম নিখোঁজ হওয়ার পর বান্দরবান, চট্টগ্রাম ও মুকসুদপুর ঘুরে ১৭ আগস্ট ফরিদপুরে কুদ্দুস মোল্লার বাড়িতে যান। কুদ্দুস মোল্লা আগে খুলনার একটি পাটকলে চাকরি করতেন। তখন রহিমার বাড়িতে ভাড়া থাকতেন তিনি। ৭ দিন ওই বাড়িতে ছিলেন রহিমা।’

প্রায় ১৫ ঘণ্টা নির্বাক ছিলেন ফরিদপুর থেকে উদ্ধার হওয়া খুলনার আলোচিত রহিমা বেগম। খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ, পিবিআই ও সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি ছিলেন চুপচাপ। রোববার দুপুরে মরিয়ম মান্নানসহ ৫ সন্তানের সঙ্গে সাক্ষাত ও কথা বলার পর মুখ খোলেন রহিমা বেগম। পিবিআই (পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন)- এর কাছে দাবি করেন, তাকে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তবে তার জবানবন্দি নিয়ে ধূম্রজাল তৈরি হয়েছে।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) ডেপুটি কমিশনার (নর্থ) মোল্লা জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, গাড়িতে করে আনার সময় কীভাবে নিখোঁজ হয়েছিলেন এবং ২৮ দিন কোথায় কোথায় ছিলেন সে প্রশ্ন করা হয়েছিল রহিমা বেগমকে। কিন্তু তিনি কোনো প্রশ্নেরই উত্তর দেননি। রাতে থানায় আনার পর প্রশ্ন করলেও তিনি নিশ্চুপ ছিলেন। রাত আড়াইটার দিকে দৌলতপুর থানায় বসে সাংবাদিকরা রহিমা বেগমের নিখোঁজ থাকার বিষয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করলে তখনও তিনি চুপচাপ ছিলেন।

পিএসএন/এমঅ‌াই