টি-টোয়েন্টি ওয়েস্ট ইন্ডিজ কেন ভয়ঙ্কর সেটা আরও একবার বুঝিয়ে দিলো তারা। গ্রানাডার সেন্ট জর্জ স্টেডিয়ামে প্রথম টি-টোয়েন্টিতেই কাইরান পোলার্ডের দল জানিয়ে দিলো- এই ফরম্যাটটা তাদের জন্যই।

টেস্ট সিরিজ খোয়াতে হলেও তারকাদের ক্রিকেটারদের প্রত্যাবর্তনের সঙ্গে সঙ্গেই দক্ষিণ আফ্রিকাকে বিধ্বস্ত করে প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ জিতে নিলো ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ১৬১ রান তাড়া করতে নেমে পাঁচ ওভার এবং আট উইকেট হাতে রেখেই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ক্যারিবিয়ানরা।

পাঁচ সপ্তাহের মধ্যে ১৫টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এর মধ্যে প্রথম দুই ম্যাচে প্রোটিয়াদের বিরুদ্ধে দলে জায়গা পেয়েছেন ক্রিস গেইল, আন্দ্রে রাসেলরা। টেস্টে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার পর টি-টোয়েন্টিতে বড় বড় তারকারা মাঠে ফিরতেই পার্থক্যটা হাতে নাতে চোখে পড়ল।

কুইন্টন ডি’কক (২৪ বলে ৩৭) ও রাসি ফন ডার ডুসেন (৩৮ বলে ৫৬) ছাড়া প্রোটিয়াদের হয়ে কেউই তেমন ব্যাট হাতে সাফল্য পায়নি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে বল হাতে ডোয়াইন ব্র্যাভো ও ফ্যাবিয়ান অ্যালেন দু’টি করে উইকেট তুলে নেন। আন্দ্রে রাসেলও নির্ধারিত তিন ওভার হাত ঘুরিয়ে ডি’ককের মূল্যবান উইকেটটি তুলে নেন।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে প্রথম থেকেই বিধ্বংসী মেজাজে ইনিংসের শুরু করেন দুই ওয়েস্ট ইন্ডিজ ওপেনার এভিন লুইস এবং আন্দ্রে ফ্লেচার। মাত্র সাত ওভারে ৮৫ রানের পার্টনারশিপের পর সাজঘরে ফেরেন ফ্লেচার (১৯ বলে ৩০)।

তবে এভিন লুইস অপরপ্রান্ত থেকে আক্রমণ চালিয়ে যান। তাকে সঙ্গ দেন ক্রিস গেইল। ৩৫ বলে চারটি বাউন্ডারি এবং সাতটি ছক্কার সুবাদে ৭১ রান করে আউট হন লুইস। তিনি আউট হওয়ার পর ক্রিজে নেমে বাকি কাজটি শেষ করে দেন আন্দ্রে রাসেল।

পাঁচ ওভার হাতে রেখেই কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ক্যারিবীয়রা। পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ক্যারিবিয়ান দল। ক্রিস গেইল (২৪ বলে ৩২) ও রাসেল (১২ বলে ২৩), দু’জনেই অপরাজিত থাকেন। প্রোটিয়াদের হয়ে একটি উইকেট নেন তাবরিজ শামসি, অপরটি রান আউট।