খুলনায় সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের মামলা প্রত্যাহার, মুক্তি ও হেনস্তাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।বৃহষ্পতিবার বেলা ১২টায় খুলনা টিভি রিপোর্টার্স ইউনিটি ও স্বজন সাংবাদিক ফোরামের যৌথ উদ্যোগে খুলনা প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। খুলনা টিভি রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি সুনীল দাসের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তৃতা করেন স্বাধীনতা সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন মিন্টু, খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম জাহিদ, সাধারণ সম্পাদক হাসান আহমেদ মোল্লা, টিভি রির্পোটার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি মামুন রেজা, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি শেখ আবু হাসান, টিভি রির্পোটার্স ইউনিটির সাবেক সাধারন সম্পাদক রকিবউদ্দিন পান্নু ও আমিরুল ইসলাম সাধারন সম্পাদক এএইচএম শামিমুজ্জামান, যুগ্মসম্পাদক শেখ লিয়াকত হোসেন, প্রেসক্লাবের যুগ্মসম্পাদক মো: সোহরাব হোসেন, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারন সম্পাদক মোজাফফর হোসেন, টিভি ক্যামেরা জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি হেয়ামুল হোসেন কচি, স্বজন সাংবাদিক ফোরামের নেতা দীলিপ কুমার বর্মন, কানাই মন্ডলসহ সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।

এ সময় খুলনা রির্পোটার্স ইউনিটির কোষাধ্যক্ষ এমডি. অসীম, এসএম মনিরুজ্জামান, আমজাদ হোসেন লিটন, বাংলা টিভির প্রতিনিধি তরিকুল ইসলাম ডালিম, মাইটিভির প্রতিনিধি শিশির কুমার মল্লিক, ইউটিভির প্রতিনিধি বিএম শহিদুল ইসলাম, টিভি ক্যামেরা ক্যামেরা জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশনের সাবেক সাধারন সম্পাদক হাসান আল মামুন, মোহনা টিভির ক্যামেরাম্যান মাহফুজুল আলম সুমন,বাংলা টিভির শেখ জালাল, স্বজন সাংবাদিক ফোরামের সদস্য রিংটন মন্ডল, উত্তম সরকার,  দেবাশীষ রায়, স্বপন কুমার রায়, বিধান বিশ্বাস, ভাস্কর বিশ্বাস, রীতা রানী দাস, সাগর সরকার ও প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ বিমল সাহা, প্রেসক্লাবের সদস্য আবু নূরাইন খন্দকার, এসএম কামাল হোসেন, মাহবুবুর রহমান মুন্না, নূর হাসান জনি, মোহাম্মদ মিলন, খায়রুল ইসলাম, খলিলুর রহমান সুমন,মো: জাহিদ হোসেন,হারুনুর রশিদসহ সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মানববন্ধনে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বলেন, প্রথম আলোর সাংবাদিক রোজিনা ইসলাম গত কয়েক মাস ধরেই স্বাস্থ্য খাতের দুর্নীতি নিয়ে রিপোর্ট করে যাচ্ছিলেন। তার অনুসন্ধানী রিপোর্টের মাধ্যমেই দেশবাসীর সামনে এ করোনা মহামারির মধ্যেও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দুর্নীতির চিত্র ফুটে ওঠে। গত সোমবার ১৭মে তাকে মন্ত্রণালয়ে পরিকল্পিতভাবে একজন অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাকে হেনস্তা করে। প্রায় পাঁচ ঘণ্টা আটকে রেখে নির্যাতন করে পরে পুলিশের কাছে তুলে দেওয়া হয়। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে রোজিনা ইসলামের নামে মামলা দিয়ে জেলে পাঠানো হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দুর্নীতি ঢাকার জন্য কর্মকর্তারা রোজিনা ইসলামের ওপর নির্যাতন করেছেন। তাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন। এটা স্বাধীন সাংবাদিকতা বিরোধী। এটি রাষ্ট্রের সংবিধান ও প্রধানমন্ত্রীর দূনীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির বিরোধী। মানববন্ধনে বক্তারা দুর্নীতি পরায়ন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের চাকুরী থেকে বরখাস্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করা হয়। মানববন্ধন থেকে সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে দায়েলকৃত মামলা প্রত্যাহার ও তার নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন নেতৃবৃন্দ। অন্যথায় কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন সাংবাদিক নেতারা