শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ, বিপিএলের অষ্টম আসর। জাতির পিতার জন্মশত বার্ষিকী এবং বাংলাদেশের সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষ্যে আয়োজিত এই বিশেষ আসরের নাম দেয়া হয়েছে বঙ্গবন্ধুর নামে। ওমিক্রনের কারণে দর্শক মাঠে না থাকা, ডিআরএস না পাওয়াসহ নানা সীমাবদ্ধতার মাঝেই টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে পারাটাকেই বড় সাফল্য মানছেন গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইসমাইল হায়দার মল্লিক।
বাংলাদেশের ফ্রাঞ্চাইজি ক্রিকেট মহাযজ্ঞ, বিপিএল। কোভিডের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করেই, ঢাকা-সিলেট-চট্টগ্রামের তিন ভেন্যুতে আয়োজন হতে যাচ্ছে এবারের আসর। ২৭ দিনে ৩৪টি ম্যাচ আয়োজনের প্রস্তুতিও সেরে নিয়েছে গভর্নিং কাউন্সিল।
প্রথম দফায় টানা ৮ ম্যাচ হবে ঢাকার ভেন্যুতে। সে লক্ষ্যে ইতোমধ্যে নতুন রূপে সেজেছে মিরপুরের হোম অফ ক্রিকেট। গ্যালারিগুলোতে দর্শক উপস্থিতি না থাকলেও বদলানো হয়েছে ভাঙা চেয়ারগুলো। ঝেড়ে মুছে পরিষ্কার করা হয়েছে সব জায়গা। করা হয়েছে স্যানিটাইজও।
কিন্তু, এতো কিছুর পরও অপূর্ণটা রয়ে গেছে অনেক। এবারের আসরে দর্শক থাকবে না, এটা তো পুরানো খবর। কিন্তু ডিআরএস রিভিউ সিস্টেমের সঙ্গে এখন পর্যন্ত বিদেশি আম্পায়ার আনতেও ব্যর্থ হয়েছে বিপিএল কমিটি। যদিও কোভিডকালে আসর আয়োজনকেই সফলতা বলছেন তারা। এ সম্পর্কে ইসমাইল হায়দার মল্লিক বলেন, ডিআরএস বলেন, বিদেশি আম্পায়ার বলেন, মাঠে আমরা দর্শকও প্রবেশ করার অনুমতি দিতে পারছি না। এটা শুধু করোনার কারণে হচ্ছে। ওমিক্রসের প্রভাব বেড়ে যাওয়ার কারণ সরকারী বিধি নিষেধ পেয়েছি আমরা।
বিপিএলের আরেক সমালোচনার জায়গা উইকেট। এখানে আসরের পর আসর যায় আর স্পোর্টিং উইকেটের আশা ফিকে হতে থাকে। এবারও আশার বেলুন ফোলালেন সদস্য সচিব। তবে সঙ্গে রাখলেন বাস্তবতার কিন্তু। এ সম্পর্কে ইসমাইল হায়দারের ভাষ্য, একই মাঠে টানা পাঁচদিন খেলা হলে ওই উইকেটের ওপর প্রেসার পড়ে। এটার বাস্তবতাটা আমাদের মেনে নিতে হবে। তারপরও আমরা গ্রাউন্ড কমিটির সঙ্গে বেশ কয়েকবার বসেছি এবং তাদের বলেছি যাতে এবার স্পোর্টিং উইকেট দেখতে পাই।
আসর শুরুর আগেই কোভিড নাইন্টিনের সংক্রমণ চোখ রাঙাচ্ছে। বেশ কয়েকটি ফ্রাঞ্চাইজির দশের অধিক ক্রিকেটার হয়ে আছেন পজিটিভ। বিষয়টা আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার না করলেও সবাইকে সচেতন থাকার পরামর্শ দিলেন বিসিবি পরিচালকরা। যে কোন মূল্যে টুর্নামেন্ট শেষ করার প্রত্যয় তাদের মাঝে।
পিএসএন/এমঅাই


