
রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, শুক্রবার থেকে বৃষ্টিতে নিউজিল্যান্ডের বৃহত্তম শহর অকল্যান্ড জরুরি অবস্থায় রয়েছে। এখানে ১৬ লাখ লোক বাস করেন।
দেশটির আবহাওয়ার পূর্বাভাসে মেটসার্ভিস রোববার ও সোমবার উত্তর দ্বীপে আরও গুরুতর আবহাওয়ার বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে।
তীব্র বৃষ্টিপাতের ফলে ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যাও হতে পারে।

শনিবার গভীর রাতে অকল্যান্ড থেকে ২২০ কিলোমিটার (১৩৭ মাইল) দূরের ওয়াইটোমোতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। পুলিশ নিশ্চিত করেছে যে, অকল্যান্ড থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার (৪৩ মাইল) দক্ষিণে একটি গ্রাম ওয়ানহেরো শুক্রবার ভেসে গেছে। সেখানে নিখোঁজ এক ব্যক্তি মারা গেছেন।
উপ-প্রধানমন্ত্রী কারমেল সেপুলোনি অকল্যান্ডে সাংবাদিকদের বলেন, ‘এর সবচেয়ে ভয়ঙ্কর অংশ হলো আমরা প্রাণ হারিয়েছি।’
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে নিউজিল্যান্ডে ভারী বৃষ্টিপাতের পর্বগুলো আরও সাধারণ এবং আরও তীব্র হয়ে উঠছে। দেশটির জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী জেমস শ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে টুইট করেন।

রোববার পুলিশ বলছে, তারা সেই অঞ্চলে ট্র্যাফিক ব্যবস্থাপনা এবং রাস্তা বন্ধ করার বিষয়ে সহায়তা করছে, যেহেতু ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে অসংখ্য স্লিপ, বন্যা এবং রাস্তার ক্ষতি হয়েছে।
কর্তৃপক্ষ রোববার জানিয়েছে, হাজার হাজার বাড়িঘর বিদ্যুৎহীন রয়েছে। এছাড়া অনেক এলাকায় পানি সংকট দেখা দিয়েছে। শনিবার ওই এলাকা হেলিকপ্টারে পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী ক্রিস হিপকিন্স।


