সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি’র সদ্য প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ছিলেন জাতীয় ঐক্যের প্রতীক মন্তব্য করে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, তিনি গৃহিণী থেকে রাষ্ট্রনায়কে পরিণত হয়ে দেশের মানুষকে একত্রিত করতে সক্ষম হয়েছিলেন। আপোষহীন নেতৃত্বের মাধ্যমে স্থান করে নিয়েছেন মানুষের হৃদয়ে।
সোমবার জোহর বাদ শতরূপা মোড়ে ১৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গ দলের আয়োজনে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়ায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু। অনুষ্ঠানে দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা আসাদুজ্জামান।
আসর বাদ মসজিদ সংলগ্ন মাঠে পিটিআই মসজিদের সাবেক ইমাম ও খতিব হাফেজ মোঃ মাকসুদুর রহমানের নামাজে জানাজায় অংশগ্রহণ করেন সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু। পরে তিনি ২০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি আয়োজনে ফেরিঘাট জিন্না মসজিদে সাবেক প্রধানমন্ত্রী, মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়ায় অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে দোয়া পরিচালনা করেন মসজিদের ইমাম মারুফ বিল্লাহ। মাগরিব বাদ ২৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গ দলের আয়োজনে কুবা মসজিদে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু। অনুষ্ঠানে দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা আব্দুল মান্নান। পরে তিনি ১৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি’র আয়োজনে সভাপতি আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া শেষে দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ করেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু। এশা বাদ ২৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গ দলের আয়োজনে ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয়ে মেজবাহ উদ্দিন মিজুর সভাপতিত্বে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু। দোয়া শেষে সকলের মাঝে তবারক বিতরণ করা হয়।
এ সকল অনুষ্ঠানে সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু আরও বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের এক অনন্য রাষ্ট্রনায়ক ও জাতীয় ঐক্যের প্রতীক উল্লেখ করে আরও বলেন, গণতন্ত্র, জনগণের অধিকার, সাংবিধানিক শাসন এবং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আপোষহীন নেতৃত্বের দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন তিনি। আসন্ন নির্বাচন জাতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এটি এ জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ মানুষ এত দিন তার ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। দীর্ঘদিন পর তারা ভোটাধিকার ফিরে পেয়েছে। গণতান্ত্রিক লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে রাজকীয় ভাবে প্রস্থান করেছেন বেগম খালেদা জিয়া। আগামীতে যে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ ছিল খালেদা জিয়ার স্বপ্ন, সেটি গঠনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
এ সকল অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কাজী মোঃ রাশেদ, রেহেনা ঈসা, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, ইকবাল হোসেন খোকন, আনোয়ার হোসেন, এড. গোলাম মওলা, ইউসুফ হারুন মজনু, জালাল শরীফ, একরামুল হক হেলাল, গিয়াস উদ্দিন বনি, আল জামাল ভূঁইয়া, মারুফ আল রশিদ, নাজমুল হক মুকুল, শাসুজ্জামান চঞ্চল, শেখ জামিরুল ইসলাম জামিল, রবিউল ইসলাম রবি, মহিউদ্দিন টারজান, মেজবাহ উদ্দিন মিজু, আজিজুর রহমান আজিজ, মঞ্জুর হাসান অপু, আসিফ ইকবাল লিটন, মেহেদী হাসান সোহাগ, তরিকুল ইসলাম সোহান, রিয়াজুর রহমান রিয়াজ, বাচ্চু মীর, শাহানুর কবির অয়ন, এড. হাফিজুর রহমান হাফিজ, খান শহিদুল ইসলাম, শরিফুল ইসলাম বাবু, আলমগীর হোসেন আলম, মিজানুজ্জাান তাজ, ইকবাল হোসেন, নাহিদ মোড়ল, জাবির আলী, মোস্তফা কামাল, মনিরুল ইসলাম, আমিনুল ইসলাম বুলবুল, আব্দুল হাকিম, মোস্তফা জামান মিন্টু, গোলাম নবী ডালু, লিটু পাটোয়ারী, শাকিল আহমেদ, মোল্লা ফিরোজ, ওহাব শরীফ, সুলতান মাহমুদ সুমন, শামীম খান, শরিফুল ইসলাম সাগর, আব্দুল্লাহ আল মামুন, ফিরোজ আহমেদ, মুশফিকুর রহমান অভি, তালুকদার রাজিব, মিজানুর রহমান মিজান, ইমরান হোসেন, রাজিবুল আলম বাপ্পি, মহিদুল হক টুকু, মাহমুদ হাসান মুন্না, সাইমুন ইসলাম রাজ্জাক, শহিদুল ইসলাম লিটন, এ আর রহমান, সেলিম বড় মিয়া, হারুন হাওলাদার, সুলতান হোসেন, সজল আকন নাসিব, রোকেয়া ফারুক, শামীম রেজা, জাহাঙ্গীর হোসেন, খান রাজিব, মাসুদ রানা, এরশাদুল হক চান, মানিক, ইকবাল হোসেন, মাহবুবুর রহমান লিটু, দুলাল চৌধুরী, শাহানা রহমান, বিলকিস বেগম প্রমুখ।


