
শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এমপি বলেছেন, বিএনপি এ দেশের গণতন্ত্র বিকাশের প্রধান অন্তরায়। দলটির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ছিলেন সামরিক স্বৈরশাসক। বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর খুনি জিয়া দেশের গণতন্ত্রকে হত্যা করেছিলো। স্বৈরাচার জিয়াউর রহমান অবৈধভাবে সেনাপ্রধান, প্রধান সামরিক আইন কর্মকর্তা ও রাষ্ট্রপতির পদ দখল করে ক্ষমতাকে কুক্ষিগত করার জন্য ১৯৭৭ সালে হ্যাঁ-না ভোটের নামে দেশের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছিল। জিয়ার গণতন্ত্র ছিল কারফিউ মার্কা গণতন্ত্র।
আ’লীগ জনগণের ক্ষমতায়ন ও গণতান্ত্রিক চেতনাকে সমুন্নত রাখতে বদ্ধপরিকর উলেখ করে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পরিচালিত সরকার গণতন্ত্রকে ক্রমান্বয়ে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি দেশের গণতন্ত্র, ভোটাধিকার এবং উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আগামী নির্বাচনে আবারও শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী করার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান।
গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নগরীর ৪নং ওয়ার্ড আ’লীগের আয়োজনে জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন নগর আ’লীগ সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা, সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নুর ইসলাম বন্দ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোঃ আশরাফুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক মোঃ মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ, দৌলতপুর থানা আ’লীগ সভাপতি শেখ সৈয়দ আলী, নির্বাহী সদস্য মোজাম্মেল হক হাওলাদার ও বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ মোশাররফ হোসেন।
৪নং ওয়ার্ড আ’লীগের সভাপতি আব্দুর রউফ মোড়লের সভাপতিত্বে এবং দৌলতপুর থানা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বন্দ ও ৪নং ওয়ার্ড আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ওয়াহিদুজ্জামানের পরিচালনায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন কাউন্সিলর গোলাম রব্বানী টিপু, মেহেদী মোড়ল, বাচ্চু মোড়ল, এড. মোফাজ্জেল বন্দ, রিপন হাওলাদার, শেখ জিহাদসহ আ’লীগ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।


