দীর্ঘদিন ধরে এক ছাদের নিচে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। সময়ের সঙ্গে এখন অনেকটাই পরিণত সাবিনারা। গেল কয়েক বছরে বয়সভিত্তিক দলে এসেছে অনেক সাফল্য। অনূর্ধ্ব-১৫, অনূর্ধ্ব-১৮ ও অনূর্ধ্ব-১৯ সাফের বয়স ভিত্তিক আসরের শিরোপা জিতে মেয়েরা দিয়েছে নিজেদের শক্তিমত্তার প্রমাণ। তবে, সিনিয়র দল সে তুলনায় অনেকটাই ম্লান। ২০১৯ সালে নেপালের বিরাটনগরে সাফের সেমিফাইনাল থেকেই বিদায়। গেল বছর উজবেকিস্তানে এশিয়ান কাপের বাছাইটাও ছিল হতাশায় মোড়ানো।
তবে, দীর্ঘ নয় মাস পর মালয়েশিয়ার বিপক্ষে দুই ম্যাচের সিরিজে বদলে যাওয়া ছোটনের দলকে দেখেছে বাংলাদেশ। র্যাঙ্কিংয়ে ৬১ ধাপ এগিয়ে থাকা দলটিকে প্রথম ম্যাচে ৬-০ গোলে উড়িয়ে দেয়ার পর দ্বিতীয় ম্যাচে ড্র। জাতীয় দলের মেয়েরা যে আধিপত্য বিস্তার করে খেলতে জানে সেটা এ আসরেই প্রমাণ করেছে তারা। সামনেই আরো একটি সাফ; তার আগে হোম ও অ্যাওয়ে ভিত্তিতে আরো কয়েকটি ম্যাচের পরিকল্পনা আছে বাফুফের।
বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের ম্যানেজার আমিরুল ইসলাম বাবু বলেন, ‘আমি মনে করি এ ধরনের আরো কিছু দলকে আমন্ত্রণ জানানো উচিত। দরকার হলে আমরা দেশের বাইরে গিয়ে খেলবো। এভাবে খেলতে থাকলে আমাদের মেয়েরা আরো অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবে।’
মালয়েশিয়ার বিপক্ষে সিরিজ জয় প্রসঙ্গে ম্যানেজার বলেন, জাতীয় দলও যে ভালো ফুটবল খেলে এবং আধিপত্য বিস্তার করতে জানে এটাই তার প্রমাণ। সাফের আগে আমরা চেষ্টা করবো আরো কয়েকটি ম্যাচ খেলতে। এর মাধ্যমে আমাদের মেয়েদের অভিজ্ঞতা আরো বাড়বে।
জাতীয় দলের ফুটবলাররা শক্তিশালী প্রতিপক্ষের ওপর আধিপত্য বিস্তার করে খেলতে জানে। মালয়েশিয়ার বিপক্ষে দুই ম্যাচের সিরিজে সেটা প্রমাণ করেছে নারী দলের ফুটবলাররা। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের আগে হোম এবং অ্যাওয়ে ভিত্তিতে আরো কয়েকটি ম্যাচ খেলার পরিকল্পনার কথাও জানালেন আমিরুল ইসলাম বাবু।
তিনি বলেন, ‘সাফের আগে আরো কয়েকটা ম্যাচ খেলার জন্য চেষ্টা করবো, ভালো প্রস্তুতির জন্য। অনুশীলন চালিয়ে যেতে হবে। আরো বড় দলগুলোর সঙ্গে ম্যাচ খেলতে হবে। বাফুফে আরো চেষ্টা করবে। প্রয়োজনে হোম-অ্যাওয়ে ভিত্তিতে ম্যাচ খেলার আয়োজন করবে বাফুফে।’
নারী দলকে আরো শক্তিশালী করতে নতুন নতুন ফুটবলার তৈরিতে চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
/এসআই


