
পুলিশ হত্যার ঘটনায় পলাতক দুবাইয়ের আলোচিত স্বর্ণ ব্যবসায়ী আরাভ খান ওরফে রবিউল ইসলাম ওরফে আপনের বিরুদ্ধে করা অস্ত্র আইনের মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ মার্চ) ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুর্শিদ আহাম্মদের রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণ সমাপ্ত করেন।
এদিন আদালতে সাক্ষ্য দেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবির উপ-পরিদর্শক শেখ হাসান মুহাম্মদ মোস্তফা সারোয়ার। পরে আদালত আত্মপক্ষ সমর্থন ও যুক্তি উপস্থাপনের জন্য আগামী ১৩ এপ্রিল দিন ধার্য করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৫ সালের ২৮ জানুয়ারি আরাভ খান ভয় দেখিয়ে তার শ্বশুর সেকেন্দার আলীর কাছে টাকা আদায় করতে রাজধানীর মগবাজারের বাসায় যান। তখন একটি গুলিভর্তি রিভলবারসহ শ্বশুরের বাসার সামনে থেকে গ্রেফতার হন তিনি। এ ঘটনায় আরাভের বিরুদ্ধে রমনা মডেল থানায় অস্ত্র আইনে মামলা করেন ডিবির তৎকালীন উপ-পরিদর্শক সুজন কুমার কুণ্ডু। পরে আসামি রবিউল ইসলাম আপনের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় ২০১৫ সালের ১ মার্চ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবির উপ-পরিদর্শক শেখ হাসান মুহাম্মদ মোস্তফা সারোয়ার।
একই বছরের ১০ মে আদালত রবিউলের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন। এ মামলায় ২০১৮ সালের ১৪ মার্চ জামিন পান রবিউল। এরপর জামিনে গিয়ে পলাতক থাকায় ২০১৮ সালের ২৪ অক্টোবর তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।
সম্প্রতি আরাভ খান আলোচনায় আসেন দুবাইয়ে একটি জুয়েলারির দোকান চালু করে। পুলিশ কর্মকর্তা হত্যার পলাতক আসামি আরাভের বিরুদ্ধে রেড অ্যালার্ট জারি করেছে ইন্টারপোল। ইতোমধ্যে ভারতের নাগরিকত্ব নেওয়া আরাভ খানকে দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে পুলিশ।


