ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম জাভা প্রদেশের পাসির লাঙ্গু গ্রামে ভূমিধসের জেরে মাটিচাপা পড়ে নিহত হয়েছেন ১০ জন এবং এখনও নিখোঁজ আছেন কমপক্ষে ৮০ জন। গত ২৪ জানুয়ারি শনিবার ভোরের দিকে ঘটেছিল এই ভূমিধস।
পাসির লাঙ্গু গ্রামটি ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা থেকে ১০০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত। আগের দিন শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া প্রবল বর্ষণই এ ভূমিধসের কারণ।
গ্রামের বাসিন্দা দেদি কুরনিওয়ান (৩৬) এএফপিকে জানান, তারা এই প্রথম ভূমিধসের মতো দুর্যোগ প্রত্যক্ষ করেছেন। তিনি বলেন, “মাঝে মাঝে বৃষ্টি বেশি হলে নিকটস্থ নদী থেকে গ্রামে পানি ঢুকে পড়ে এবং তা অল্প সময় স্থায়ী হয়; কিন্তু (শনিবারের আগ পর্যন্ত) এই গ্রামে কখনও ভূমিধস ঘটেনি। আমরা এই প্রথম এ গ্রামে এমন দুর্যোগ দেখলাম।”
ভূমিধসে নিখোঁজদের সন্ধানে কাজ শুরু করেছে দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনীর উদ্ধারকারী দল। কিন্তু এখনও থেমে থেমে বৃষ্টিপাত হতে থাকায় ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা সম্ভব হচ্ছে না; ফলে উদ্ধার তৎপরতায় কাঙ্ক্ষিত গতিও আনা যাচ্ছে না।
দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার দেশ এবং বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপরাষ্ট্র ইন্দোনেশিয়ায় সাধারণত নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বৃষ্টিপাত খুব কম ঘটে। কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তনের জেরে এই চিত্র পাল্টে যাচ্ছে। গত নভেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত রাজধানী জাকার্তা এবং পশ্চিম জাভা, সুমাত্রাসহ বিভিন্ন প্রদেশে ঘন ঘন ভারী বর্ষন ও ঘূর্ণিঝড়ের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দিচ্ছে।

