কষ্ট, ভোগান্তি উপেক্ষা করেই যেন বাড়ি ফেরার যুদ্ধে নেমেছেন মানুষ। পথেঘাটে জনস্রোত।
রোববার (০১ মে) ভোর থেকেই সদরঘাট ছাড়ে একের পর এক লঞ্চ। প্রায় সবকটি লঞ্চে নেওয়া হয়েছে ছাদ পর্যন্ত যাত্রী। তবে এত কিছুর পরও যাত্রীদের চোখেমুখে ছিল ঈদ আনন্দের ছাপ।
প্রায় সব লঞ্চেই ছাদ পর্যন্ত যাত্রীতে ঠাসা। সক্ষমতার কয়েকগুণ যাত্রী নিয়ে দক্ষিণবঙ্গের উদ্দেশে সদরঘাট ছাড়ছে একের পর এক লঞ্চ।
গত বৃহস্পতিবার (২৮ এপ্রিল) সরকারি শেষ কর্মদিবস হলেও গার্মেন্টসসহ বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান খোলা ছিল শনিবারও। তাই আগের দিনগুলোর তুলনায় এদিন সদরঘাটে ঘরে ফেরা মানুষের বাড়তি চাপ ছিল।
একদিকে গরম, অন্যদিকে তীব্র রোদ আকাশে। এমন আবহাওয়ার মধ্যেও ছাদে বহন করা হচ্ছে যাত্রী। কানায় কানায় পূর্ণ হওয়ার পরও যাত্রী টানতে লঞ্চ কর্মীদের হাঁকডাকে ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ।
তবে এসবের পরও ঈদ করতে বাড়ির পথে রওনা হতে পারার আনন্দ সবার চোখেমুখে।
প্রায় সবকটি লঞ্চ অতিরিক্ত যাত্রী টানলেও দেখা যায়নি প্রশাসনের তেমন তৎপরতা, জরিমানা গুণতে হয় কেবল চারটিকে। আর ছাদ পর্যন্ত যাত্রী নেওয়া হলেও তা মাত্রাতিরিক্ত বা ঝুঁকিপূর্ণ নয় বলে দাবি বিআইডব্লিউটিএ’র।
বিআইডব্লিউটিএ যুগ্ম পরিচালক (বন্দর) আলমগীর কবির সময় সংবাদকে বলেন, মালামাল পরিবহন এখন বন্ধ। সেক্ষেত্রে নির্ধারিত ধারণক্ষমতা থেকে ১০ বা ১৫ শতাংশ যাত্রী বেশি হয় তাহলে লঞ্চের কোনো সমস্যা হবে না। ঈদযাত্রার জন্য ১৫০টিরও বেশি লঞ্চ প্রস্তুত করা হয়েছে। যাত্রীদের জন্য কোনো লঞ্চ সংকট হবে না।
এদিকে শনিবার ঘরমুখো মানুষ নিয়ে সদরঘাট ছাড়ে প্রায় দেড়শ’ লঞ্চ।
পিএসএন/এমঅাই


