চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক বা এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আগামী নভেম্বরে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তবে পরীক্ষার তারিখ পরে ঘোষণা করা হবে বলে জানান মন্ত্রী।
রোববার (১৭ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই কথা বলেন। এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার তারিখ জানাতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরীসহ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী জানান, বন্যা পরিস্থিতি অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে আসায় আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নেওয়া হবে। আর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নেওয়া হবে নভেম্বর মাসে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের ২৪ জুলাইয়ের মধ্যে বই দেওয়া হবে।
গত জুনে আকস্মিক বন্যায় সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা ব্যাপকভাবে কবলিত হওয়া পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে এসএসসি পরীক্ষা। এতে আগস্ট মাসে এইচএসসি পরীক্ষা হওয়ার কথা থাকলেও তা পিছিয়ে দেওয়া
আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের এসএসসিতে আইসিটি, ধর্মীয় শিক্ষা এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এবং এইচএসসিতে আইসিটি এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হবে না।
এবছর বিজ্ঞান বিভাগে প্রতিটি বিষয়ে মোট ৪৫ নম্বরের পরীক্ষা হবে। এর মধ্যে সৃজনশীল আটটি প্রশ্নের মধ্যে তিনটির উত্তর দিতে হবে। প্রতিটি প্রশ্নে ১০ করে ৩০ নম্বরের উত্তর দিতে হবে। এ ছাড়া নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে ১৫টির, মোট নম্বর ১৫। মানবিক ও বাণিজ্য বিভাগে ৫৫ নম্বরের পরীক্ষা নেওয়া হবে। তার মধ্যে ১১টি সৃজনশীল প্রশ্নের ৪টির উত্তর দিতে হবে। প্রতিটিতে ১০ করে অর্থাৎ ৪০ নম্বরের উত্তর দিতে হবে। এ ছাড়া ১৫ নম্বরের নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্ন থাকবে। শুরুতে নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে, এরপর সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর লিখতে হবে। সব মিলিয়ে পরীক্ষার সময় দুই ঘণ্টা করে নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, স্বাভাবিক সময়ে প্রতি বছর ফেব্রুয়ারিতে এসএসসি এবং এপ্রিলে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হলেও গত বছর করোনা মহামারির কারণে তা সম্ভব হয়নি। দীর্ঘদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় গত বছর এসএসসি পরীক্ষা নেওয়া হয় প্রায় নয় মাস পর নভেম্বরের মাঝামাঝি আর এইচএসসি পরীক্ষা হয় ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে।
এসআই


