
ইউক্রেনকে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এসব মারাত্মক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে অনেক দূরের রুশ লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে হামলা করা যাবে। যুক্তরাষ্ট্র বলেছে যে তারা ইউক্রেনকে ২.২ বিলিয়ন মূল্যের অতিরিক্ত সামরিক সহায়তা দিতে যাচ্ছে। বিভিন্ন দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রও এসব সামরিক সহায়তার আওতায় রয়েছে। এর মাধ্যমে ইউক্রেনের আক্রমণের পরিসীমা দ্বিগুণ হবে।
এর মাধ্যমে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে ইউক্রেনকে দেওয়া মোট সামরিক সহায়তার পরিমাণ হবে ২৯.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি।
এসব সামরিক সহায়তা প্যাকেজের মধ্যে রয়েছে ভূমি থেকে নিক্ষেপযোগ্য ছোট-ব্যাসের বোমা। এটা ১৫০ কি.মি. দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে পারে।
কিন্তু মার্কিন কর্মকর্তারা এই সকল দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে কিছু রুশ অধিকৃত ভূখণ্ডে সম্ভাব্য হামলার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। বিশেষ করে রুশ অধিকৃত ক্রিমিয়ার বিভিন্ন অংশে সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে তারা কোনো মন্তব্য করেননি।
মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগনের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল প্যাট রাইডার সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘যখন কোনো সামরিক অভিযানের বিষয়ে ইউক্রেনের পরিকল্পনার কথা আসে, তখন এটা বলা যায় যে এসব সামরিক অভিযান মূলত তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। এক্ষেত্রে আমাদের কিছু বলার নেই।
তিনি বলেন, এসব মার্কিন সামরিক সহায়তার ফলে ইউক্রেন দূরের লক্ষ্যবস্তুতে হামলা করতে পারবে। এটা তাদেরকে দেশের প্রতিরক্ষায় বিভিন্ন সামরিক অভিযান পরিচালনায় সক্ষম করে তুলবে। এছাড়া তাদের সার্বভৌম অঞ্চল ও রুশ অধিকৃত এলাকা ফিরিয়ে নিতে তাদের সহায়তা করবে।
২০১৪ সালে ক্রিমিয়ান উপদ্বীপকে দখল করে রাশিয়া। দেশটি এটাকে তাদের ভূখণ্ডের অংশ বলে মনে করে। কিন্তু সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইউক্রেনের সেনাবাহিনী এ অঞ্চলে বিক্ষিপ্তভাবে গোলাবর্ষণ করছে। এবার মার্কিন সামরিক সহায়তা পাওয়ার পর এসব হামলা আরও তীব্র হবে বলে অনুমান করা হচ্ছে।
সূত্র : বিবিসি


