উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ায় নিজ নাগরিকদের তাৎক্ষণিক ইরান ছাড়তে বলেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির ভার্চ্যুয়াল দূতাবাস শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) এ আহ্বান জানিয়েছে।
তারা বলেছে “ইরানে নিরাপত্তা কড়াকড়ি বৃদ্ধি, সড়ক বন্ধ, গণপরিবহনণ চলাচলে বিঘ্ন এবং ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন রয়েছে। দেশটির সরকার মোবাইল, ল্যান্ডলাইন এবং জাতীয় ইন্টারনেট সেবা গ্রহণে বিধিনিষেধ আরোপ অব্যাহত রেখেছে। এছাড়া বিমান সংস্থাগুলো ইরানে ফ্লাইট স্থগিত বা বাতিল করছে।”
এসব অবস্থা বিরাজমান থাকতে পারে সতর্কতা দিয়ে মার্কিন ভার্চ্যুয়াল দূতাবাস তাদের নাগরিকদের বলেছে, সম্ভব হলে বিকল্প উপায়ে যোগাযোগ করা এবং স্থলপথে ইরান থেকে আর্মেনিয়া অথবা তুরস্কে যেন তারা চলে যান।
তাৎক্ষণিকভাবে দেশটি থেকে চলে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, “এ মুহূর্তে ইরান ছাড়ুন। ইরান ছাড়ার এমন পরিকল্পনা করুন যেটিতে মার্কিন সরকারের ওপর নির্ভরশীল হতে হবে না। অল্প সময়ের সতর্কতার ভিত্তিতে ফ্লাইট বাতিল হতে পারে। তথ্যের জন্য আপনার বিমান সংস্থার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করুন।”
“যদি আপনি ইরান ছাড়তে না পারেন তাহলে অন্য কোনো নিরাপদ ভবনে চলে যান। সঙ্গে খাবার, পানি, ওষুধ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র রাখুন।”
যেসব জায়গায় বিক্ষোভ বা আন্দোলন হচ্ছে সেসব জায়গায় এড়িয়ে চলতেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে মার্কিন নাগরিকদের। এছাড়া পরিচয় গোপন রাখা, দ্বৈত নাগরিকদের ইরানের পাসপোর্ট দিয়ে দেশ ত্যাগ করা, মোবাইল ফোনে পর্যাপ্ত চার্জ রাখা, স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের ওপর নজর রাখতেও বলেছে তারা।
দূতাবাস সতর্কতা দিয়ে বলেছে, ইরান সরকার দ্বৈত নাগরিকদের ইরানি হিসেবেই বিবেচনা করে। ফলে কোনো দ্বৈত নাগরিক যদি মার্কিন পাসপোর্ট দেখিয়ে ইরান ছাড়ার চেষ্টা করে তাহলে তাদের দেশটির নিরাপত্তাবাহিনী যে কোনো কারণ দেখিয়ে আটক করতে পারে।
যারা ইরান ছাড়তে চান তাদের নিজ দায়িত্বেই ইরান ছাড়তে বলেছে যু্ক্তরাষ্ট্রের সরকার। কারণ এ মুহূর্তে তাদের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দেওয়া সম্ভব না।


