ওপেনিং ব্যাটার ইশান কিষানের ঝোড়ো অর্ধশতকে ভর করে ভারত চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের বিপক্ষে শক্ত সংগ্রহ গড়েছে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এর হাইভোল্টেজ ম্যাচটি রোববার কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়।
টস জিতে আগে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন পাকিস্তান অধিনায়ক সালমান আলি আগা। তবে তার সিদ্ধান্ত খুব একটা সুফল বয়ে আনেনি। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৭৫ রান তোলে ভারত।
ইনিংসের শুরুটা ভারতের জন্য ছিল হতাশাজনক। শুরুতেই আক্রমণে এসে সালমান আলি আগা দলকে বড় সাফল্য এনে দেন। টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ ব্যাটার অভিষেক শর্মা চার বল খেলে রানের খাতা না খুলেই বিদায় নেন পাকিস্তান অধিনায়কের বলে।
শুরুর ধাক্কা সামলে নেন আরেক ওপেনার ইশান কিষান। তিনি তিলক বর্মাকে সঙ্গে নিয়ে দ্বিতীয় উইকেটে গড়েন ৪৫ বলে ৮৭ রানের দারুণ জুটি। পাকিস্তানের বোলারদের ওপর চড়াও হয়ে খেলতে থাকেন দুজনেই।
শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানকে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য এনে দেন সাইম আয়ুব। সেট ব্যাটার কিষানকে ফেরান তিনি। ৪০ বলে ১০টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৭৭ রান করে দলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন কিষান। কিষানের বিদায়ের পর নতুন করে ইনিংস গড়ার দায়িত্ব নেন তিলক বর্মা ও অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। সতর্ক ব্যাটিংয়ে তৃতীয় উইকেটে তারা যোগ করেন ৩৮ রান। তবে সাইম আয়ুব পরপর দুই বলে বর্মা ও হার্দিক পান্ডিয়াকে (শূন্য) ফিরিয়ে ম্যাচে পাকিস্তানকে ফেরান।
বর্মা ২৪ বলে ২টি চার ও ১টি ছক্কায় করেন ২৫ রান। ১৪.৩ ওভারে ভারতের সংগ্রহ যখন ৪ উইকেটে ১২৬, তখন অধিনায়ক সূর্যকুমারের সঙ্গে যোগ দেন শিবম দুবে। দুজনে মিলে ৩৩ রানের জুটি গড়ে দলের গতি ধরে রাখেন। তবে ইনিংসের শেষের আগের ওভারে উসমান তারিকের বলে বিদায় নেন সূর্যকুমার। তিনি ২৯ বলে ৩টি চার মেরে করেন ৩২ রান।
দুবেও শেষ পর্যন্ত টিকে থাকতে পারেননি। ১৭ বলে ৩টি চার ও ১টি ছক্কায় ২৭ রান করে ইনিংসের শেষ বলে আউট হন তিনি। পাকিস্তানের হয়ে সেরা বোলার ছিলেন সাইম আয়ুব। চার ওভারে ২৫ রান দিয়ে নেন ৩ উইকেট। এছাড়া সালমান আলি আগা, শাহিন শাহ আফ্রিদি ও উসমান তারিক একটি করে উইকেট শিকার করেন।


