উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ বা জিসিসি সম্মেলন শেষে পারস্য উপসাগরে অবস্থিত ইরানের তিনটি দ্বীপের ওপর সংযুক্ত আরব আমিরাতের সার্বভৌমত্বের দাবি সম্বলিত একটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে। ওই ঘটনার প্রতিবাদে ইরানে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে তেহরান। ইরান মনে করে এটা তাদের সার্বভৌমত্বের প্রতি হস্তক্ষেপ। এছাড়া দেশটি জানিয়েছে যে ওই তিনটি দ্বীপ তাদের অংশ।
ইরানবিরোধী এই বিবৃতিতে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের অংশগ্রহণ থাকার কারণে, বিষয়টি নিয়ে আলোচনার জন্য দেশটিতে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত চ্যাং হুয়াকে গতকাল (শনিবার) ইরানি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ডেকে পাঠানো হয়।
রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকে ইরান ওই হস্তক্ষেপমূলক বিবৃতির ব্যাপারে নিজেদের অসন্তুষ্টির কথা জানিয়েছে। ইরান বলেছে, দেশের অন্য যেকোন অংশের মতোই পারস্য উপসাগরে অবস্থিত এই তিনটি দ্বীপ ইরানের অংশ এবং তা কখনোই কোনো আলোচনার বিষয়ে পরিণত হবে না।
বৈঠকে চীনা রাষ্ট্রদূত তেহরানকে নিশ্চিত করেছেন যে ইরানের ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি বেইজিং সম্পূর্ণভাবে শ্রদ্ধাশীল। চীনের প্রেসিডেন্ট সৌদি আরব সফর করেছেন যাতে আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা করা যায়। এছাড়া আঞ্চলিক যেসব সমস্যা রয়েছে সেগুলো আলোচনার মাধ্যমে যাতে সমাধান করা যায় তারও একটি প্রচেষ্টা চীনা প্রেসিডেন্টের মধ্যে রয়েছে। চীনা রাষ্ট্রদূত তেহরানকে নিশ্চিত করেছেন যে, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলকে কেন্দ্র করে তেহরান যে নীতি অনুসরণ করে তা অত্যন্ত ভারসাম ভারসাম্যপূর্ণ এবং চীনের উপ-প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন ইরান সফরের মধ্য দিয়ে তা আরও পরিষ্কার হবে।
সূত্র : প্রেস টিভি


