জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে নিয়মিত ইপিআই কর্মসূচিতে এইচপিভি ভ্যাকসিন অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে প্রধান শিক্ষক ও ধর্মীয় নেতাদের সমন্বয়ে এক এডভোকেসী সভা আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে নগরীর শেরে বাংলা রোডস্থ নগর স্বাস্থ্য ভবনে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু। ইউনিসেফ-এর সহযোগিতায় কেসিসি’র স্বাস্থ্য বিভাগ এ সভার আয়োজন করে।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রশাসক বলেন, মাঝে মাঝে আমরা মানবিক বিপর্যয়ের মুখোমুখি হচ্ছি। কোভিড-১৯, হাম-রুবেলা এবং সম্প্রতি ডেঙ্গুতে অনেক পরিচিত মুখ আমরা হারিয়েছি। কেসিসি এ সকল বিপর্যয় থেকে জনসাধারণকে রক্ষা করতে সাধ্যমত সকল প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি টিকা গ্রহণের বিষয়ে জনসাধারণের মাঝে ব্যাপক সচেতনতা বৃদ্ধি করার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, শ্রেণি কক্ষে, মসজিদের খুতবায় এবং সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান থেকে সময়মত টিকা গ্রহণের বিষয়ে সকলকে সচেতন করে তুলতে উপস্থিত শিক্ষক ও ইমামদের প্রতি আহবান জানান। একই সাথে তিনি সঠিক সময়ে টিকাদান ক্যাম্পেইন শতভাগ সফল করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।
উল্লেখ্য, জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে বিগত জুলাই-২০২৫ তারিখ জারিকৃত সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক রুটিন ইপিআই কার্যক্রমে হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি) ভ্যাকসিন সফলভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
কেসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মো: নুরুল ইসলাম ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালক মুহাম্মদ মুহীউদ্দিন মজুমদার। সভা পরিচালনা করেন প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শরীফ শাম্মিউল ইসলাম। খুলনা মহানগরীর বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও কওমী মাদরাসার প্রতিনিধিগণ সভায় অংশগ্রহণ করেন।


