ভোজ্যতেলের অবৈধ মজুত ঠেকাতে মিল মালিকদের ডেকে সতর্ক করলো সরকার। এবার পুর্বের নির্দেশনা আবারও স্মরণ করিয়ে দেয়া হলো মিল মালিকদের।
অতিরিক্ত দামের কারণে তেলের বাজারে নেই ক্রেতা। খোলা তেলের বাজারে কিছুটা ক্রেতার দেখা পাওয়া গেলেও বিক্রি নিয়ে হতাশায় বিক্রেতারা। এতোকিছুর মাঝে বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রতিদিনের মতো কালোবাজারি রুখতে চলছে ভোক্তা অধিকারের অভিযান। বৃহস্পতিবার (১২ মে) জব্দকৃত প্রায় ৮ হাজার লিটার তেল ১৪৩ টাকা দরে তাৎক্ষণিক বিক্রি করে সংস্থাটি।
বৃহস্পতিবার (১২ মে) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠান শেষে প্যাকেজ পদ্ধতিতে তেল বিক্রি করা হলে আগামী সপ্তাহ থেকে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি দেন ভোক্তা অধিকারের মহাপরিচালক এ এইচ এম সফিকুজ্জামান।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানায়, পাইকারি পর্যায়ে মাসে সর্বোচ্চ ৩০ মেট্রিক টন ও খুচরা পর্যায়ে ২০ দিনে সর্বোচ্চ ৫ মেট্রিক টন তেল মজুত করতে পারবেন ব্যবসায়ীরা।
অনুষ্ঠানে টিসিবির মাধ্যমে তেল আমদানির বিষয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা সবকিছু নিয়ে কাজ করছি। আমরা আশাবাদী হয়ত জুন মাস থেকে টিসিবির মাধ্যমে তেল আমদানি করতে পারব।
পিএসএন/এমঅাই


