
খুলনার প্রত্যন্ত গ্রামে বসেছে পশুর হাট। এসব হাটে আসা পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার কথা থাকলেও প্রাণি সম্পদ দপ্তর থেকে এখনও কোন উদ্যোগ নেয়া হয়নি। ফলে বিভিন্ন গ্রাম থেকে আসা বহু পশুর শরীলে রোগ থাকলেও ক্রেতারা না বুঝে কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। এসময়ে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় গরুর শরীরে পক্্র দেখা দিয়েছে। এরই মধ্যে অনেক পশুর মৃত্যু হয়েছে।
ভান্ডারকোট স্কুল মাঠে কোরবানীর হাটে শুক্র ও মঙ্গলবার ওঠে পাঁচ শতাধিক গরু। এ ছাড়া বাইনতলা গ্রামেও বিভিন্ন পশুর হাট বসে থাকে। এসব হাটে ওঠা পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার কোন ব্যবস্থা নেই। এদিকে গ্রামে দেখা দিয়েছে গরুর পক্্র। সমস্ত গায়ে গুটি গুটি উঠেছে। প্রাণি সম্পদ দপ্তর থেকে গ্রামের এসব পশুর চিকিৎসায় এগিয়ে না আসায় ভান্ডারকোট গ্রামে এসকেন আলীর একটি গরুর মৃত্যু হয়। ইস্রাইল শেখ জানান, তারও গরুর গায়ে পক্্র দেখা দিয়েছে। এখন পানি পড়ার উপর নির্ভর করতে হচ্ছে।
খুলনা জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. এসএম আয়ূব আলী বলেন, আগামী ২৬,২৭ ও ২৮ জুন কোরবানীর হাটে পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য আমাদের লোক থাকবে। এখনও আমরা হাটের দিকে যাইনি। তিনি বলেন, এলাকায় পশুর পক্্র দেখা দিয়েছে। সংবাদ পেলে সেখানে আমাদের লোক যেয়ে চিকিৎসা দেয়।


