প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে তামাকমুক্ত করার লক্ষ্য বাস্তবায়নে খুলনা জেলায় ধুমপান ও তামাক বিরোধী অভিযান জোরদার করা হয়েছে।
এ উপলক্ষে সুযোগ্য জেলা প্রশাসক মনিরুজ্জামান তালুকদার মহোদয়ের নির্দেশে এবং বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পুলক কুমার মন্ডল মহোদয়ের তত্ত্বাবধানে নগরীর সদর থানার আওতাধীন কেসিসি মার্কেটে এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) খুলনা সদর আরিফুল ইসলাম।
অভিযানকালে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব পুলক কুমার মন্ডল বলেন, সোমবার খুলনা মহানগরে ধুমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে খুলনা সদর থানার আওতাধীন কেসিসি মার্কেটের নিচ তলায় দুই ব্যক্তিকে ট্যাব ব্যবহার করে সিগারেটের বিজ্ঞাপন প্রদর্শন ও বিনামূল্যে উপহার সামগ্রী বিতরণ করতে দেখা যায়। এসময় ‘ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকো বাংলাদেশ‘-এর একজন ও জাপান টোব্যাকো কোম্পানির একজন। মোট ২ জন প্রোমোশনাল বিজ্ঞাপনের অংশ হিসেবে ডিজিটাল ট্যাবের মাধ্যমে হ্রাসকৃত মূল্যে সিগারেট বিক্রয় এর সাথে সাথে দেশলাই ও গ্যাস লাইটার ফ্রি বিতরন করছিলেন। এই কর্মকান্ড- ‘ধুমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০০৫‘ এর ৫ ধারার বিধান মোতাবেক অপরাধ হওয়ায় যথাযথ প্রসিকিউশনের ভিত্তিতে অভিযোগ আমলে নেওয়া হয়। অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্ট সরঞ্জামাদি জব্দ করা হয় এবং অভিযোগ গঠনপূর্বক আসামির দোষ স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে জরিমানা প্রদান করা হয়।
কর্তব্যরত এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট দুই আসামিকে উক্ত আইনের সংশ্লিষ্ট ধারার বিধান মোতাবেক ৫০ হাজার টাকা করে সর্ব মোট ১ লক্ষ টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেন।
মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় সহযোগিতা করেন, খুলনা সদর থানার পুলিশ সদস্যগণ এবং তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে নিয়োজিত অর্গানাইজেশন সিয়ামের নির্বাহী পরিচালক ও টাস্কফোর্স সদস্য অ্যাডভোকেট মাসুম বিল্লাহ, এবং এইড ফাউন্ডেশনের প্রোগ্রাম অফিসার কাজী মোহাম্মদ হাসিবুল হক।
উল্লেখ্য, পাবলিক প্লেসে ধুমপান ও বিজ্ঞাপন রোধে এবং তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসনের এমন উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।
পিএসএন/এমঅাই


