খুলনা মহানগরের বয়রা এলাকার মোটরগ্যারেজ মালিক মো. বিপ্লবকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তাঁর ছেলে মেহেদী হাসান তুহিন। গত ২২ মে ওই অভিযোগে বিজ্ঞ নালিশী মামলার আমলী আদালত খুলনা থানা খুলনায় মামলা করেছেন তিনি। আজ মঙ্গলবার দুপুরে মামলাটি আমলে নিয়ে সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন ওই আদালতের বিচারক অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সুমী আহমেদ।
মামলায় মোট ৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। আসামিরা হলেন- হাজী মহসিন রোড এলাকার মুনিয়া বেগম, খালিশপুরের কাশিপুর মালা গ্যারেজ মোড় এলাকার শেখ নাজমুল ও তাঁর মা রেবেকা বেগম, হাজী মহসিন সড়কের মো. মানিক শেখ, বিএল কলেজ রোড এলাকার মো. মুছা শেখ ও কে এম আব্দুল্লাহ।
ওই মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. আবু হুরায়রা সোহেল বলেন, গত ২২ মে মামলাটি আদালতে জমা দেওয়া হয়। শুনানী শেষে আজ মঙ্গলবার দুপুরে বিচারক মামলাটি সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার বাদী ও এজাহার থেকে জানা গেছে, গত ৭ মে রাত দেড়টার দিকে হঠাৎ মোবাইলে কল করেন গ্যারেজের এক কর্মচারী। তিনি জানান তাঁর বাবা রাতে স্ট্রোক করে মারা গেছেন। ওই কথা শুনে বাদী ভোরে ঢাকা থেকে বিভিন্ন মাধ্যমে খুলনায় আসেন। বেলা আড়াইটার দিকে তিনি যখন খুলনায় বাবার বাড়িতে আসেন তখন গোয়ালখালী কবরস্থানে লাশ দাফনের সব ব্যবস্থা হয়ে গেছে। ছেলেকে না জানিয়ে দাফন, জানাযা সম্পন্ন করা হয়। ময়নাতদন্ত না করার জন্য আবেদনও করা হয়।
যিনি ময়নাতদন্ত না করার জন্য আবেদন করেছিলেন তিনি বাদীর পরিবারের কেউ নন। তাছাড়া বাদী লোকমুখে শুনেছেন মারা যাওয়ার পর তাঁর বাবার মুখ দিয়ে ফেনা বের হচ্ছিল ও জিহ্বা বের হয়ে ছিল। বাদীর বাবা মারা যাওয়ার পর সকালে গ্যারেজ থেকে তাঁর মোবাইল, মোটরসাইকেল ও গ্যারেজের কাগজপত্রও নিয়ে আসেন আসামিরা। এসব কারণে বাদীর সন্দেহ হয়েছে তাঁর বাবাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।
পি এস/এন আই


