মোংলা পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র আলহাজ্ব মো: জুলফিকার আলী বলেছেন, লায়ন ড. ফরিদুল ইসলাম বিএনপির পক্ষ থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য হিসেবে মোংলা-রামপাল বাগেরহাট-৩ আসনের নির্বাচন করছে। এ অঞ্চলে আপনি আমাদের অভিভাবক, তাই মোংলায় যারা বিএনপি করে তারা যদি কেউ অসহায় মানুষের উপর জুলুম অত্যাচার, ঘের দখল, ঘের লুট, মাদকের সাথে সংশ্লষ্ট থাকা ছাড়াও হিন্দু সম্প্রদয়ের উপর অহেতুক সমস্যা সৃষ্টি করার চেষ্টা করে তার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে থাকবেন এ দাবী করছি আমিসহ বিএনপির নেতৃবৃন্দরা।
আজ রোববার দুপুরে বিএনপির চেয়ারপারসন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় মোংলায় মিলাদ এবং দোয়া অনুষ্ঠানে একথা বলেন পৌর বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মো: জুলফিকার আলী।
সকাল সাড়ে ১১টায় পৌর শহরের চালনা বন্দর ফাজিল মাদ্রাসা চত্বরে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করে পৌর বিএনপি। পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র মোঃ জুলফিকার আলীর সভাপতিত্বে এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠিত মিলাদ-দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মনোনীত বাগেরহাট-৩ আসনের (মোংলা-রামপাল) সংসদ সদস্য প্রার্থী ও বাগেরহাট জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম। এছাড়া দোয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান মানিক, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আঃ মান্নান হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক আবু হোসেন পনি, বিএনপি নেতা আব্দুল হালিম খোকন, খোরশেদ আলম, নাসির তালুকদার, গোলাম নুর জনি, কাজী ফারুক হোসেন, ইমান হোসেন রিপন, বাবলু ভূইয়া, আলতাফ হোসেন, আব্দুস সালাম ব্যাপারী, মহিলাদল নেত্রী কমলা বেগম, বেবী রহমান ও আয়েশা বেগম সজ অন্যান্যরা নেতাকর্মীরা।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, এ আসন থেকে অনেকেই মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। কিন্তু দল তাদের মধ্য থেকে একজনকে মনোনয়ন দিয়েছেন। দলের সিদ্ধান্ত মেনে আমরা সকল ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে আসুন মিলেমিশে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করি। তাহলেই আমাদের বিজয় হবে, তাতে আমাদের নেতা তারেক রহমানের হাত শক্তিশালী হবে। আমরা যদি সকলে মিলেমিশে মাঠে কাজ করে সরকার গঠন করতে পারি, তা হলে এ দেশের গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনা সম্ভব।
সভাপতির বক্তব্যে মোঃ জুলফিকার আলী বলেন, দল যাকে মনোনয়ন দিয়েছে আমরা তার পক্ষে কাজ করে ধানের শীষকে বিজয়ী করবো। তিনি আরো বলেন, এ এলাকায় চিংড়ির ঘের দখলের প্রতিযোগীতা রয়েছে। বৈধ কাগজপত্র ছাড়া কাউকে বেআইনিভাবে কোন ঘের দখল করতে দেয়া হবেনা। এখানে চাঁদাবাজের বিএনপিতে কোন ঠাঁই হবেনা। তিনি বলেন, এ এলাকায় বিপুলসংখ্যক সংখ্যালঘু মানুষের বসবাস রয়েছে। আমরা এখন তাদের যেমন পাশে রয়েছি, নিরাপত্তা দিচ্ছি, ভবিষ্যতে এ ধারা অব্যাহত থাকবে।
মিলাদ শেষে দোয়া-মোনাজাতে বেগম খালেদা জিয়া, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও আরাফাত রহমান কোকোর রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া করা হয়। এছাড়া বিএনপির বর্তমান চেয়ারপারসন তারেক রহমানের দীর্ঘায়ু কামনায়ও বিশেষভাবে দোয়া করা হয়েছে। এ দোয়া অনুষ্ঠানে অংশ নেয়া প্রায় ৫ সহস্রাধিক এতিম ছাত্র, বিভিন্ন মাদ্রাসার ছাত্র, গরিব ও অসহায় এবং বিএনপির নেতকর্মী ও স্থনীয় মানুষের মাঝে উন্নতমানের খাবার বিতরণ করা হয়।



