খুলনায় সকাল থেকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি আর ঠান্ডা বাতাসে বেড়েছে দুর্ভোগ। সারাদিন গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি আর কনকনে ঠান্ডায় বাড়ি থেকে বের হয়নি সাধারণ মানুষ। শহর এবং হাট বাজারে অধিকাংশ দোকান পাট বন্ধ রয়েছে। বিপাকে পড়েছে নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষরা।
আজ সকাল থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঢাকা, রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, ৮ থেকে ১০ কিলোমিটার বেগে বয়ে যাচ্ছে বাতাস।এদিকে, শীতজনিত কারণে হাসপাতালগুলোতে বয়স্ক ও শিশু রোগীদের সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে।
যদিও খুলনায় তাপমাত্রা বেড়ে গিয়ে ১৯ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস নির্ণয় করা হয়েছে (একুয়াওয়েদার এর তথ্য অনুযায়ী)।
কিন্তু সূর্যের মুখ দেখা যায়নি। কমেনি শীতের তিব্রতা। উত্তরের ঠান্ডা বাতাস বয়ে যাওয়ার কারণে মাঘের প্রচণ্ড শীতে কাবু হয়েছে খুলনাবাসী।
আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ১১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ঢাকায় ১৮ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ময়মনসিংহে ১৬.৪, চট্টগ্রামে ১৫.৪, সিলেটে ১৫.২, রাজশাহীতে ১৬.২, রংপুরে ১৪.৩, খুলনায় ১৮.২, বরিশালে ১৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, সারাদেশে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।
পি এস/এন আই


