পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের নারকীয় হত্যাকাণ্ডের প্রেক্ষাপটে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মরণোত্তর বিচারের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেছেন যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দ্বিতীয় পুত্র শহীদ লেফটেন্যান্ট বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ জামালের হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেছেন, এ মুক্তিযোদ্ধা সেনা অফিসারের রক্তপাত যে সেনাবাহিনীর সদস্যরা করেছিল, তাদের সেনা আইনে বিচার করতে ব্যর্থ হয়েছিলেন তৎকালীন সেনাপ্রধান সফিউল্লাহ ও উপ-সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমান।
যুবলীগ চেয়ারম্যান বলেন, জিয়াউর রহমান তো সরাসরি মুক্তিযোদ্ধা শেখ জামাল হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত। শুধু তাই নয়, শেখ জামালসহ অসংখ্য মুক্তিযোদ্ধা সেনা অফিসারদের রক্তে রঞ্জিত জিয়ার হাত। সুতরাং তার মরণোত্তর বিচারের দাবি আজকের প্রজন্মের সময়ের দাবি। যেটা খুব শিগগির এদেশের মাটিতে আমরা দেখবো, ইনশাআল্লাহ। বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের পক্ষ থেকে এ দাবি পুনর্ব্যক্ত করছি।
শুক্রবার (২৯ এপ্রিল) ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড আদর্শ বিদ্যানিকেতনে যুবলীগের উদ্যোগে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দ্বিতীয় পুত্র শহীদ লেফটেন্যান্ট বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ জামালের ৬৯তম জন্মদিন ও পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
শেখ পরশ বলেন, বঙ্গবন্ধু তার সেনা কর্মকর্তাদেরও সন্তানের মতোই ভালোবাসতেন। সেই সন্তানতুল্য সৈন্যদের হাতেই তার নিজের ও পরিবারের সদস্যদের প্রাণ দিতে হতো। এ যেন গ্রিক ট্রাজেডিকেও হার মানায়। আজ মুজিবপুত্র শেখ জামালের প্রাণপ্রিয় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জনগণের অযুত ভালোবাসা, গর্ব ও আন্তর্জাতিক মর্যাদা নিয়ে কাজ করছে পেশাগতভাবে দক্ষ ও চৌকস বাহিনী হিসেবে। আজকের এ দিনে একজন অকালপ্রয়াত কিশোর মুক্তিযোদ্ধা, দেশপ্রেমিক সেনা কর্মকর্তা, বন্ধু-অন্তপ্রাণ ও দুঃসাহসিক তরুণের কথা স্মরণ করি বিনম্র শ্রদ্ধাভরে।
যুবলীগের প্রচার সম্পাদক জয়দেব নন্দীর পরিচালনায় এতে আরও অংশ নেন- যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, প্রেসিডিয়াম সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম, মো. নবী নেওয়াজ, ইঞ্জিনিয়ার মৃনাল কান্তি জোয়ার্দার, তাজউদ্দিন আহমেদ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বিশ্বাস মুতিউর রহমান বাদশা, সুব্রত পাল, মুহা. বদিউল আলম, মো. রফিকুল আলম জোয়ার্দার সৈকত, সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী মো. মাজহারুল ইসলাম, মো. সাইফুর রহমান সোহাগ, মো. জহির উদ্দিন খসরু, অ্যাড. ড. শামীম আল সাইফুল সোহাগ, ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকির হোসেন বাবুল, দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাইন উদ্দিন রানা, উত্তরের সাধারণ সম্পাদক মো. ইসমাইল হোসেন, দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এইচ এম রেজাউল করিম রেজাসহ কেন্দ্রীয়, মহানগর ও বিভিন্ন ওয়ার্ড যুবলীগের নেতারা।


