ডিসিদের নির্দেশনা দিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, অবৈধভাবে অনেকে বিদেশে যায়। এতে তারা হয়রানির শিকার হয়। ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এভাবে যেন না যায় সে জন্য সচেতন করার কথা বলা হয়েছে ডিসিদের। এছাড়া প্রবাসীদের বাড়ি দখল হয়ে যায়। তারা হয়রানির মুখে পড়েন। মামলায় কেউ কেউ জেলেও গেছেন। এসব ক্ষেত্রে প্রবাসীদের সুরক্ষা দিতে হবে।
বৃহস্পতিবার (২৬ জানুয়ারি) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে তিন দিনের জেলা প্রশাসক সম্মেলনের শেষ দিনের চতুর্থ অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
ডিসি সম্মেলনে পর্যটন এলাকার নিরাপত্তা ও সুরক্ষা তদারকি নিয়ে কথা হয়েছে বলেও জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
রোহিঙ্গারা আবারও বাংলাদেশে ঢুকছে- এ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ড. মোমেন বলেন, এটা খুব কঠিন সময়। আমাদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অবস্থান হচ্ছে আর একজন রোহিঙ্গাও নেবে না বাংলাদেশ। কিছু কিছু (রোহিঙ্গা) যখন আসে তখন আমরা চেষ্টা করি তা ম্যানেজ করার। রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন করতে হবে। তাদের অবশ্যই যেতে হবে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা মিয়ানমার সরকারকে বলেছি তোমরা তোমাদের লোকগুলোর একজনকেও পাঠাবে না। কিন্তু (বিষয়টি) তাদেরও ক্ষমতার বাইরে। ওখানে সংঘাত হচ্ছে, বাড়িঘর জ্বালিয়ে ফেলছে, ভয়ে তারা (রোহিঙ্গারা) পালাতে চায়।
সীমান্তে হত্যার বিষয়ে তিনি বলেন, ভারত ও বাংলাদেশ দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ে মতৈক্য হয়েছে। একটা লোকও সীমান্তে মরবে না। এরপরও দুঃখজনক ঘটনা ঘটেছে।
প্রসঙ্গত, গত ২৪ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) সকালে নিজ কার্যালয়ের (পিএমও) শাপলা হলে তিন দিনব্যাপী বার্ষিক জেলা প্রশাসক সম্মেলন-২০২৩ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জেলা প্রশাসকদের খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের ব্যবস্থা গ্রহণসহ ২৫টি নির্দেশনা বাস্তবায়নের তাগিদ দিয়েছেন তিনি। দ্বাদশ সংসদীয় নির্বাচনের আগে এটাই এই সরকারের শেষ ডিসি সম্মেলন।



