
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) গাবতলীতে স্থায়ীসহ মোট ৯টি হাট বসছে। গত বছর ডিএনসিসি এলাকায় হাট বসেছিল ১০টি। যদিও এখন পর্যন্ত এসব হাটের টেন্ডার চূড়ান্ত হয়নি। স্বল্প সময়ের মধ্যে চূড়ান্ত করা হবে। এবার বাদ পড়ছে তেজগাঁও পলিটেকনিক্যাল খেলার মাঠ।
ডিএনসিসি সূত্রে জানা যায়, জনদূর্ভোগ হবে না এমন স্থানগুলোতেই বসতে দেওয়া হচ্ছে পশুর হাট। এছাড়াও ক্রেতা-বিক্রেতাদের সুবিধার কথা বিবেচনা করা হচ্ছে। গত বছরের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে টেন্ডার চূড়ান্ত করা হবে।
প্রাথমিক সিদ্ধান্তে ডিএনসিসির অধীন থাকা হাটগুলোর মধ্যে গাবতলীর হাটটি হচ্ছে স্থায়ী।
এছাড়াও অস্থায়ী হাটগুলোর মধ্যে রয়েছে- বাড্ডা ইস্টার্ন হাউজিং ব্লক-ই, এফ, জি, এইচ পর্যন্ত এলাকার খালি জায়গা, মিরপুর সেকশন-৬ ইস্টার্ন হাউজিংয়ের খালি জায়গা, উত্তরা ১৭ নম্বর সেক্টর এলাকায় অবস্থিত বৃন্দাবন থেকে উত্তর দিকে বিজিএমইএ পর্যন্ত খালি জায়গা, ভাটারা (সাইদনগর) পশুর হাট, কাওলা শিয়ালডাঙ্গাসংলগ্ন খালি জায়গা, ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের ৩০০ ফিট সড়কসংলগ্ন উত্তর পাশের সালাম স্টিল ও যমুনা হাউজিং কোম্পানির এবং ব্যক্তিগত মালিকানাধীনের খালি জায়গা এবং মোহাম্মদপুর বছিলায় ৪০ ফুট রাস্তাসংলগ্ন খালি জায়গা, ৪৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাঁচপুরা বেপারিপাড়ার রহমান নগর আবাসিক প্রকল্প এলাকা। বাদ পড়া পশুর হাঁটটি হলো- তেজগাঁও পলিটেকনিক্যাল খেলার মাঠ।
কোরবানির পশুর হাঁটের সবশেষ পরিস্থিতি জানাতে গিয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ মাহে আলম জানান, ডিএনসিসির আওতাধীন পশুর হাটগুলো চূড়ান্ত হওয়ার লক্ষ্যে কাজ চলমান রয়েছে। গত বছর যে স্থানগুলোতে হাঁট বসেছে, এবারও সেখানেই বসছে। তবে একটি হাট কমছে। কম সময়ের মধ্যে চূড়ান্ত করা হবে।


