দারুণ ফিনিশিংয়ে সিলেট টাইটান্সকে জয়ের শক্ত ভিত গড়ে দিয়েছিলেন ব্যাটাররা। সেই ভিতে দাঁড়িয়ে দুর্দান্ত বোলিং করলেন সালমান ইরশাদ-মঈন আলিরা। তাতে ঢাকা ক্যাপিটালসকে সহজেই হারিয়েছে স্বাগতিকরা। এই জয়ে ৮ পয়েন্ট নিয়ে সিলেটকে টপকে শীর্ষে তিনে জায়গা করে নিলো মেহেদি হাসান মিরাজের দল।
সিলেটে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৮০ রান করে সিলেট টাইটান্স। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৮ রান করেছেন আরিফুল ইসলাম। জবাবে ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৬০ রানের বেশি করতে পারেনি সিলেট।
বড় লক্ষ্য তাড়ায় ঢাকাকে দুর্দান্ত শুরু এনে দেন দুই ওপেনার আব্দুল্লাহ আল মামুন ও রহমানুল্লাহ গুরবাজ। ১১ বলে ২৪ রান করে মামুন ফিরলে ভাঙে ৫৬ রানের উদ্বোধনী জুটি। আরেক ওপেনার গুরবাজ করেছেন ৫১ রান।
তিনে নেমে সুবিধা করতে পারেননি নাসির হোসেন। ৭ বলে ৩ রান করেন তিনি। চারে নেমে ব্যর্থ শামিম হোসেন। ব্রুকসের দুর্দান্ত ক্যাচে ফেরার আগে ২ বলে এক রান করেন এই ব্যাটার। এরপর সাইফ হাসান, সাব্বির রহমানরা ভালো শুরু পেলেও প্রয়োজনীয় রান রেট অনুযায়ী রান তুলতে পারেননি। তাতে ১৬০ রানের বেশি করতে পারেনি ঢাকা।
এর আগে দুই ওপেনারের ব্যাটে দারুণ শুরু পেয়েছিল সিলেট। পাওয়ার প্লেতে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৪৮ রান যোগ করেন ইমন ও তৌফিক খান। ১৭ রান করে তৌফিক বিদায় নিলে ভাঙে সেই জুটি। এরপর ইমনও আর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ২৪ বলে ৩২ রান এসেছে তার ব্যাট থেকে।
তিনে নেমে দেখে-শুনে খেলেছেন আরিফুল ইসলাম। বিপিএল অভিষেকেই প্রতিভার ছাপ রেখেছেন এই টপ অর্ডার ব্যাটার। ২৯ বলে ৩৮ রান করেছেন তিনি। যা দলের হয়ে সর্বোচ্চ সংগ্রহ।
শেষদিকে দারুণ ব্যাটিং করেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই ও মঈন আলীরা। ২৩ বলে ৩৩ রান করেছনে আজমতউল্লাহ। আর মঈনের ব্যাট থেকে এসেছে ৮ বলে ২৮। এ ছাড়া ৪ বলে অপরাজিত ৯ রান করেছনে ইথান ব্রুকস, মিরাজ অপরাজিত ছিলেন ২ বলে ৭ রান করে।



