প্রথম টি-টোয়েন্টিতে দারুণ লড়েও শেষ পর্যন্ত হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল প্রোটিয়াদের। দ্বিতীয় ম্যাচে আর কোন ভুল নয়, ৫৮ রানে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে সিরিজে সমতা ফিরিয়েছে ডেভিড মিলারের দল।
টসে জিতে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় ইংল্যান্ড। দলীয় ৩৯ রানে মঈন আলি বিদায় করেন কুইন্টন ডি কককে। তবে দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে মাত্র ৪৬ বলে ৭৩ রান যোগ করেন রেজা হেনড্রিকস ও রাইলি রুশো।
ফিফটির পরপর হেনড্রিকস ফিরে গেলেও রুশোর তাণ্ডব থামেনি। চারে নামা হেনরিখ ক্লাসেনকে নিয়ে যোগ করেন আরও ৩১ রান। ১ ছক্কা ১ চারে ১৯ করে ক্লাসেন যখন আউট হন, ততক্ষণে দলীয় সংগ্রহ ঠেকেছে ১৪৩ রানে।
প্রোটিয়া ইনিংসের তখনও বাকি ছিল ৩৫ বল। এরপর রুশোর কল্যাণে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি দক্ষিণ আফ্রিকাকে। ট্রিস্টান স্টাবসের সঙ্গে ৩৫ বলে ৬৪ রানের জুটিতে একাই ৪৬ রান করেছেন বিপিএল খেলা বাঁহাতি ব্যাটার।
এই রান করতে বল খরচ করেছেন মাত্র ২৩টি। শেষ পর্যন্ত ২০৭ এ গিয়ে থামে সফরকারীদের ইনিংস। ৫ ছয় ও ১০ চারে ৫৫ বল থেকে ৯৬ রান করে অপরাজিত থাকেন রুশো।
জবাবে উড়ন্ত সূচনা করেন দুই স্বাগতিক ওপেনার জস বাটলার ও জেসন রয়। দলীয় ৩৭ রানে ২৯ করা বাটলারকে ফেরান আন্দিলে ফেলুকওয়ায়ও। ডেভিড মালান এই ম্যাচে ধরে রাখতে পারেননি ফর্ম, ফিরে গেছেন মাত্র ৫ রান করে।
মঈন ভালই সঙ্গ দিচ্ছিলেন রয়কে, কিন্তু বিধি বাম। ২২ বলে ২০ রান করে তাবরেজ শামসির শিকার বনে যান ইংলিশ ওপেনার। তার এই ইনিংস প্রয়োজনীয় রানরেটই বাড়িয়েছে কেবল।
১৭ বলে ২৮ করে আগের ম্যাচের নায়ক মঈন ফিরে গেলে চতুর্থ উইকেটের পতন ঘটে স্বাগতিকদের। জনি বেয়ারস্টো চেষ্টা করলেও ২১ বলে করা তার ৩০ রান যথেষ্ট ছিল না।
নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে মাত্র ১৬ ওভার ৪ বলে ১৪৯ রানে অলআউট হয়ে যায় ইংল্যান্ড। ৩ টি করে উইকেট পেয়েছেন ফেলুকওয়ায়ও ও শামসি। ম্যাচসেরা হয়েছেন রুশো।
পি এস / এন আই


