
সংশ্লিষ্টরা জানান, এবার বাড়তি নিরাপত্তায় জেলায় জেলায় পৌঁছানো হয়েছে নতুন বই। পৌঁছে যাচ্ছে স্কুলগুলোতেও। আগামী পহেলা জানুয়ারি দেশব্যাপী বই উৎসব। সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এ বছর অধিকাংশ শিক্ষকদের ব্যস্ততা রয়েছে নির্বাচন সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশিক্ষণে। এসবের মধ্যেও নতুন বছরের প্রথম দিন সব শিক্ষার্থীর হাতে নতুন বই তুলে দিতে ব্যস্ততা তাদের। এরই মধ্যে বিভাগের ১০ জেলায় পৌঁছেছে প্রাথমিকের চাহিদার শতভাগ বই। যার অধিকাংশ পৌঁছে গেছে স্কুলগুলোতেও। আর মাধ্যমিকের চাহিদার ৯০ শতাংশ বই পৌঁছে গেছে জেলায় জেলায়।
খুলনার বয়রা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল হাসান বলেন, আমরা এরই মধ্যে অধিকাংশ বই হাতে পেয়ে গেছি। নবম ও দশম শ্রেণির বই বাকি আছে, সেগুলোও দ্রুত পেয়ে যাবো বলে আমাদের জানানো হয়েছে। বছরের প্রথম দিন উৎসবমুখর পরিবেশে আমরা শিক্ষার্থীদের বই বিতরণ করবো।
এ বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা খুলনা বিভাগের উপপরিচালক মো. মোসলেম উদ্দিন বলেন, পুরো খুলনা বিভাগের শতভাগ বই আমরা পেয়ে গেছি। শুধু আমরা না, সব বই স্কুলে স্কুলে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। এ বছর বই পরিবহণে বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বই পরিবহনে কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
মাধ্যমিকের বাকি থাকা ১০ শতাংশ বইও নির্ধারিত সময়ের আগেই পৌঁছানোর আশা জেলা শিক্ষা অফিসের। আর তাতে পহেলা জানুয়ারি আগের মতোই বই উৎসবের প্রস্তুতি তাদের।
খুলনা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ফারহানা নাজ বলেন, নবম শ্রেণির কিছু বই আশা বাকি রয়েছে। এগুলোও খুব দ্রুত চলে আসবে। আমরা প্রতি বছরের মতো এ বছরও প্রতিটি স্কুলে উৎসব মুখর পরিবেশে বই বিতরণ করবো।
এ বছর খুলনা বিভাগে প্রাথমিকে মোট বইয়ের চাহিদা ৭৯ লাখ ৩০ হাজার এবং মাধ্যমিকে চাহিদা দুই কোটি ২৬ লাখ ৬৭ হাজার ৭০৬ বই।


