
আসাদুজ্জামান মিলন, শরণখোলা থেকে
বন বিভাগ ঘোষিত নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সুন্দরবনে অবৈধভাবে প্রবেশ করে বাগদা ও গলদার রেনু পোনা আহরণের সময় ১৬ জেলেকে আটক করা হয়েছে । বুধবার (৮ জুন) রাতে সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের শরণখোলা স্টেশনের আড়াইবেকী ও তাম্বুলবুনিয়া এলাকায় পৃথক পৃথক অভিযান চালিয়ে স্মার্ট প্যাট্রলিং দলের সদস্যরা তাদের আটক করে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুন) দুপুরে বন আইনে মামলা দায়ের করে আটককৃত পোনা আহরণকারী ঐ ১৬ জেলেকে বাগেরহাট আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালত তাদের জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে ।
আটক জেলেদের কাছ থেকে ৪টি নৌকা, রেনু পোনা ধরা ৮সেট নেট জাল, ৪টি সোলার প্যানেল, ৪টি ব্যাটারীসহ বিভিন্ন মালামাল জব্দ করা হয়।
আড়াইবেকী এলাকা থেকে আটক জেলেরা হলেন, বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার সোনাতলা গ্রামের খালেক জমাদ্দার (৬৬), মিরাজ হাওলাদার (৬৫), ছগির হাওলাদার (৪৩), সামাদ হাওলাদার (৩২), মালেক জমাদ্দার (৫০), জলিল হাওলাদার (৪৫), ছিদ্দিকুর রহমান (৪০), রফিকুল হাওলাদার (৩৮),হালিম পহলান (৪০), শরণখোলা গ্রামের নজরুল হাওলাদার (৪২), ইসমাইল হাওলাদার এবং উত্তর সাইথখালী গ্রামের হাবিব শেখ (৫০)।
অপরদিকে, একই সময় তাম্বুলবুনিয়া থেকে শরণখোলা উপজেলার ধানসাগর গ্রামের পান্না (৩০), নাসির (২৪), মিলন, (২২) ও মিজান (২৮) কে আটক করা হয় ।
পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা স্টেশন কর্মকর্তা (এসও) মো. আসাদুজ্জামান জানান, কিছু জেলে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সুন্দরবনের নদী ও খালে বাগদা ও গলদা রেনু পোনা আহরণের জন্য সংরক্ষিত বনে প্রবেশ করে। গোপন সংবাদের মাধ্যমে স্মার্ট প্যাট্রলিং দলের সদস্যরা পৃথক দু’টি অভিযান চালিয়ে ১৬ জেলেকে আটক করে। তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
মাছের প্রজনন মৌসুম শুরু হওয়ায় ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত তিন মাস সুন্দরবনে প্রবেশ ও মৎস্য আহরণে বন বিভাগের নিষেধাজ্ঞা চলছে।



