
একাত্তরের মার্চের প্রথম দিন থেকেই উত্তাল ছিল ঢাকাসহ সারাদেশ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে গণজোয়ার তৈরি হয়। তা স্পর্শ করে সাংবাদিক সমাজকেও। পাকিস্তানের বিপক্ষে যায় এমন প্রতিবেদন করা যাবে না, একাত্তরের ৫ মার্চ সে আইন প্রত্যাখ্যান করে সাংবাদিক ইউনিয়ন।
১৯৭১ সালের ৬ মার্চ প্রকাশিত দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার খবর থেকে এ তথ্য জানা যায়।গণমাধ্যমটি সেদিন ব্যানার হেডলাইন করে। তিন শব্দের সেই হেডলাইন ছিল – “জয় বাংলার জয়।”
গণমাধ্যমটির সেদিনের খবরে জানানো হয়, ১৯৭১ সালের ৫ মার্চ সাংবাদিক ও শিল্পীরা একাত্মতা প্রকাশ করেন। জনগণের মুক্তি আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ডাক দেয় সাংবাদিক ইউনিয়ন। সিদ্ধান্ত হয় মিছিল ও জনসভার।
একই সঙ্গে সংবাদপত্রের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি ওঠে সেদিন। স্বাধিকার আন্দোলনকে সফল করতে নিউজপেপার প্রেস ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের সভার প্রস্তাব, যেকোনো ত্যাগ স্বীকারের সংকল্প গ্রহণ করা হয়।
তৎকালীন ২০ জন বিশিষ্ট শিল্পীর যুক্তবিবৃতি, বেতার টেলিভিশন বর্জনের সিদ্ধান্ত দেন।
একাত্তরের ৫ মার্চ চলেছিল পাকিস্তানের নারকীয়তা। সেদিন চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের জেলাগুলোতে ১১৩নং সামরিক আইন আদেশ জারি করা হয়। চট্টগ্রামে নিহত হন ১২১ জন। একই দিনে খুলনায় প্রাণ হারান আরও ৬ জন।
ঢাকা থেকে পূর্ণ ঘোষিত কারফিউ প্রত্যাহার করা হয়।


