কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে শ্বাশুড়িকে কুপিয়ে হত্যার পর হাত-পা-গলাকেটে শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে মাটিচাপা দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় পুত্রবধূ রাশেদা বেগমকে (২৫) আটক করেছে পুলিশ।
রোববার (১৭ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টার দিকে পুলিশ রামু উপজেলার দক্ষিণ মিঠাছড়ির মধ্যম উমখালীর হাজির পাড়ায় মৃতের বাড়ির উঠান থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয় ।
নিহতের নাম মমতাজ বেগম (৬০) সে হাজির পাড়ার মৃত আবদুল কাদেরের স্ত্রী। এছাড়াও তিনি ঘাতক রাশেদার সম্পর্কে ফুফুও ছিলেন।
নিহতের ছেলে ও রাশেদা বেগমের স্বামী মো. আলমগীর জানান, গতকাল দুপুর থেকে নিখোঁজ ছিলেন আমার মা মমতাজ বেগম। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরে আজ বেলা ৩টার দিকে তিনি বাড়ির পাশে টিউবওয়েলে গেলে পাশে সদ্য খোঁড়া মাটি দেখতে পেয়ে মাটি খুঁড়তে শুরু করি । কিছুক্ষণ পরই সেখানে আমার মায়ের শাড়ি দেখে স্থানীয়দের জানায়।
পরে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দিলে রামু থানা পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে মাটিচাপা অবস্থায় আমার মায়ের লাশ উদ্ধার করে।
রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মো. আনোয়ারুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে শ্বাশুড়িকে হত্যার দায় স্বীকার করেছে অভিযুক্ত রাশেদা বেগম। তাকে আটক করা হয়েছে।
রাশেদার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী গতকাল সকালে নিহত মমতাজ বেগমের সাথে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয় তাকে। এরপর রাশেদা তার শ্বাশুড়ির হাত, পা ও মাথা বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। এরপর বস্তাবন্দি করে লাশ বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে পাশের টিউবওয়েলের পাশে মাটিচাপা দেয়।
তিনি জানান, লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
পি এস / এন আই


