জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল বলেছেন, ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে ছিলেন তা বাস্তবায়ন করতে মাঠে নেমেছেন। অনেকে বলেছেন ভোটের কালি এখন যায়নি। প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার ফ্যামিলি কার্ড, মসজিদের ইমাম, মোয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিত, সেবায়েত, বিহার অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষদের সম্মানী প্রদান শুরু করেছেন। খাল খনন মাধ্যমে আর একটি কর্মসূচির যাত্রা শুরু করেছেন।
হুইপ আজ মঙ্গলবার দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল, জলাধার খনন ও পুন:খনন কর্মসূচির আওতায় খুলনা জেলা ডুমুরিয়া উপজেলার গুটুদিয়া ইউনিয়নের টিয়াবুনিয়া খাল খনন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।
হুইপ বলেন, প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব নেওয়ার পরে কৃষকদের ১০ হাজার টাকা কৃষি ঋণ মওকুফ করেছেন। কৃষক বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে। এ অঞ্চলের যত খাল আছে দখলমুক্ত করে কিভাবে জলাবদ্ধতা দূর করার চেষ্টা করবো। তিনি সংশ্লিষ্টদের অবৈধ ইটভাটা উচ্ছেদের নির্দেশনা দেন।
তিনি বলেন, পিছনের কথা ভুলে গিয়ে, আমরা সামনের দিকে এগুতে চাই। এখানে মাদক সিন্ডিকেট গড়ে উঠছে। মাদক, দুর্নীতি, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দখলবাজি সিন্ডিকেট বন্ধ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন দুর্নীতি, সন্ত্রাস, মাদকের বিরুদ্ধে জিরোটলারেন্স। কাউ যেন এখন থেকে পার পেয়ে না যেতে পারে। আগামীতে দলমত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধভাবে জনগণকে সাথে নিয়ে জনগণের জন্য কাজ করার প্রস্তুত হবো। এটাই হবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপির) একমাত্র কর্তব্য ও দায়িত্ব।
খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মোঃ মোখতার আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন রেঞ্জ ডিআইজি মোঃ রেজাউল হক, জেলা প্রশাসক আ. স. ম. জামশেদ খোন্দকার, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান, জেলা পরিষদের প্রশাসক এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী, পানি উন্নয়ন বোর্ড দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ড. মোঃ আবুল বাশার, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী উজ্জ্বল কুমার সেন ও ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সবিতা সরকার।
উল্লেখ্য টিয়াবুনিয়া খাল এক দশমিক ৭০০ কিলোমিটার খননে ব্যয় হবে ৩৮ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। আগামী ২০২৭ সালের এপ্রিল মাসে কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।


