
দক্ষিণ পেরুর ছোট একটি সোনার খনিতে আগুন লেগে ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশটিতে কয়েক দশকের মধ্যে এটিই সবচেয়ে বড় খনি দুর্ঘটনা। অগ্নিকাণ্ডের পর প্রায় পৌনে দুই শ মানুষকে উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার (৭ মে) রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।
খনি সংস্থা ইয়ানাকুইহুয়া জানিয়েছে, অগ্নিকাণ্ডের শিকার খনিটি দেশটির দক্ষিণে অবস্থিত আরেকুইপা অঞ্চলের ছোট একটি খনি। অগ্নিকাণ্ডের পরপরই ১৭৫ জন খনি শ্রমিককে উদ্ধার করা হয়েছে। বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। আগুন লাগার সময় শ্রমিকরা ভূপৃষ্ঠের প্রায় ৩৩০ ফুট নিচে কাজ করছিলেন।
এক বিবৃতিতে দেশটির আঞ্চলিক সরকার জানিয়েছে, যে খনিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে সেখান থেকে নিকটতম পুলিশ স্টেশন ৯০ মিনিটের দূরত্বে এবং নিকটতম শহর থেকে কয়েক ঘণ্টার দূরত্বে অবস্থিত। আর এটিই জরুরি উদ্ধারকাজকে আরও জটিল করে তোলে।
স্থানীয় প্রসিকিউটর জিওভানি মাতোস রোববার স্থানীয় একটি টেলিভিশনকে জানিয়েছে, ‘ইয়ানাকুইহুয়া পুলিশ স্টেশন নিশ্চিত করেছে, সেখানে ২৭ জন নিহত হয়েছে।’
বিশ্বের শীর্ষ স্বর্ণ উৎপাদক এবং দ্বিতীয় বৃহত্তম তামা উৎপাদনকারী দেশ পেরু।
২০০২ সালে পেরুর সবচেয়ে মারাত্মক বছর ছিল। সেবার বিভিন্ন খনির দুর্ঘটনায় ৭৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল।


