ছোটপর্দায় চঞ্চল চৌধুরী নিখুঁত অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকের বিনোদনের খোরাক জোগালেও বড়পর্দায় তিনি যেন আরও প্রসারিত করেছেন নিজেকে। প্রখর অভিনয়ের মাধ্যমে মুগ্ধতা ছড়িয়ে দর্শক কাঁদিয়েছেন, হাসিয়েছেন। আবার কখনও স্তব্ধ করে রেখেছেন। সম্প্রতি গুণী এই অভিনেতা কথা বলেছেন ঢাকা মেইলের সঙ্গে। কথায় কথায় ক্যারিয়ার ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে মনের আগল খুলেছেন।
গেল সপ্তাহে ‘পাপ পুণ্য’ সিনেমা মুক্তি পেয়েছে। এর আগে আপনার চরিত্রগুলো দর্শকের মাঝে ভীষণ সাড়া জাগিয়েছিল। এবারের চরিত্রটিও হতাশ করবে না বলেছিলেন। কিন্তু চরিত্রটি তেমন সাড়া ফেলতে পারেনি। কেন সাড়া ফেলতে পারেনি বলে মনে হয় আপনার?
পেরেছে কী পারেনি—সেটা আমি জানি না। তবে আমার কাছে যে ফিডব্যাক আছে তাতে মনে হয়েছে পেরেছে। তা ছাড়া দর্শক কিন্তু আগের জায়গায় নেই। সময় বদলে গেছে না! তিন বছর হল বন্ধ থাকল। এখন দর্শক সমাগম আগের মতো নেই। এটা যে শুধু এই সিনেমার ক্ষেত্রে, তা কিন্তু নয়। অন্যান্য সিনেমার ক্ষেত্রেও হয়েছে। সময়টা খুব রিস্কি। আর পত্রিকায় যা লেখা হয়, তা তো প্রচারণার জন্য।
তবে কাজের মান অনুযায়ী সিনেমা ঠিক আছে। তা ছাড়া দর্শক সমাগমের কথা বলতে গেলে বলব, বিনোদনের বিষয়টা এখন পিছিয়ে আছে। এখন বিভিন্ন কারণে মানুষ কাজে ব্যস্ত। একটা নির্দিষ্ট সংখ্যক মানুষের নিকট বিনোদন খোরাক হিসেবে আছে। শুরুতে সময় বদলানোর কথা বলেছিলাম। ২০০৯ সালের ‘মনপুরা’র দর্শকের রুচি ও সময় আর এখনকার দর্শকের রুচি এক না। ২০১৬ সালের ‘আয়নাবাজি’ কিংবা ২০১৮ সালের ‘দেবী’র ক্ষেত্রেও তাই। সেই কারণে ওই সময়ের সঙ্গে এখন তুলনা করলে হবে না।
আরেকটা ব্যাপার হলো প্রচারণা। এটা তো প্রযোজনা সংস্থার দায়িত্ব। দুই-তিন মাস আগে থেকে সিনেমাটির ট্রেলারসহ প্রচারণার আনুষাঙ্গিক আয়োজন শুরু হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু সেটা হয়নি। ঢাকা শহরের কোথাও সিনেমাটির পোস্টারও দেখা যায়নি।
পি এস/এন আই


