সেক্স ডল আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলো দক্ষিণ কোরিয়া। ফলে চাইলেই দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিকরা এখন থেকে সেক্স ডল আমদানি করতে পারবেন। সেক্স ডলের আমদানি নিয়ে বেশ কয়েক বছর ধরেই বিতর্ক চলছিল দেশটিতে। খবর বিবিসির।
যদিও দক্ষিণ কোরিয়ায় সেক্স ডলের আমদানি আইনগতভাবে নিষিদ্ধ ছিল না। তবে অনেকে মনে করেন দেশে এই ডলের ব্যবহার বাড়লে যৌনতা সম্পর্কিত অপরাধ বাড়বে। আর এই যুক্তিতেই লক্ষাধিক নাগরিক সেক্স ডলের আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করার আবেদন জানান। তারপর ২০১৮ সাল থেকে দেশে সেক্স ডলের আমদানি নিষিদ্ধ হয় ও কোনো সেক্স ডলের আমদানি হলে তা শুল্ক বিভাগের কাছেই জমা হয়।
তবে আমদানিকারকরা পাল্টা এই নিষেধাজ্ঞা তুলে দেওয়ার আবেদনও জানান। এবার অর্থনৈতিক দিকের কথা মাথায় রেখে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করলো দক্ষিণ কোরিয়া প্রশাসন।
সেক্স ডল আমদানির ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা চাপানোর পর প্রশাসনের বিরুদ্ধে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল। নাগরিকদের ব্যক্তিগত জীবনে হস্তক্ষেপ করা নিয়ে তীব্র বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছিল সেখানে। সরকারের এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তে সেই বিতর্কে শেষ হয়ে গেলো।
মূলত দক্ষিণ কোরিয়ায় সেক্স ডল অবৈধ ছিল না। এর আমদানির ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করার জন্য আলাদা করে কোনো আইন বা নিয়ম কানুন কার্যকর হয়নি সেখানে। তবে দক্ষিণ কোরিয়ার ঐতিহ্যের ও জনসাধারণের নৈতিকতার ক্ষতি করে এমন পণ্য নিষিদ্ধ। সেই আইন অনুযায়ীই দক্ষিণ কোরিয়াতে সেক্স ডলের আমদানির ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা চাপানো হয়েছিল।
এবার এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পর আমদানিকারকরা সরকারের হেফাজত থেকে ডল ফিরিয়ে নিতে পারেন বলেও শুল্ক বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। গত চার বছরে মোট এক হাজারটি সেক্স ডল যায় দেশটিতে। সেগুলো শুল্ক কর্মকর্তাদের কাছেই রয়েছে। এবার সেই ডলগুলো সরকারের হাত থেকে আমাদনিকারকের হাতে আসবে। তবে সেক্স ডলের আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করলেও কিছু শর্ত রেখেছে শুল্ক কর্মকর্তারা। কোনো তারকা বা রক্তে মাংসে গড়া মানুষের মুখের আদলে সেক্স ডল আনা হলে তা বাজেয়াপ্ত করা হবে।
পিএসএন/এমঅাই


