কয়রা-পাইকগাছার সুবিধাবঞ্চিত জনসাধারণের পাশে থেকে তাদের জীবনমান উন্নয়নের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন খুলনা জেলা বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব ও খুলনা-৬ (কয়রা-পাইকগাছা) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মনিরুল হাসান বাপ্পী।
মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) খুলনা জেলা বিএনপি কার্যালয়ে অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের ফুলেল শুভেচ্ছা গ্রহণকালে তিনি বলেন, “ছাত্রদল ও যুবদলের রাজনীতি থেকেই জনকল্যাণমূলক কাজ করে আসছি। ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হামলা-মামলা, জেল-জুলুমে ক্ষতিগ্রস্ত নেতা-কর্মীদের পাশে থেকেছি, চিকিৎসা সহায়তা ও জামিনের ব্যবস্থা করেছি। এই অঞ্চলের ভাঙনকবলিত মানুষের খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সহায়তা নিয়ে দ্বারে দ্বারে গিয়েছি।”
তিনি আরও বলেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ধানের শীষ প্রতীক দিয়ে তার ওপর আস্থা রেখেছেন। সেই আস্থার প্রতিফলন ঘটাতে ভোট বিপ্লবের মাধ্যমে জনগণ ঐক্যবদ্ধ হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
মনিরুল হাসান বাপ্পী বলেন, “আমার নির্বাচনী এলাকার জনগণের ভোগান্তি দূর করতে আধুনিক চিকিৎসা সেবা, সুপেয় পানি এবং টেকসই ভেড়িবাঁধ নির্মাণ নিশ্চিত করব। আমি আপনাদের সন্তান, আপনাদের প্রতিনিধি হয়ে এলাকার ভাগ্যের উন্নয়নে কাজ করব।”
এর আগে তিনি অসুস্থ কয়রা উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ হাসানের সহধর্মিণীর চিকিৎসার খোঁজ নিতে হাসপাতালে যান। পরে নিজ গ্রামের বাড়িতে গিয়ে পিতার কবর জিয়ারত ও আত্মীয়-স্বজনের দোয়া প্রার্থনার মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন।
বিকেলে তিনি পাইকগাছা উপজেলা বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক তুষার কান্তি মণ্ডলের অসুস্থতার খবর শুনে খুলনার হাসপাতালে গিয়ে তার চিকিৎসার খোঁজখবর নেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা বিএনপি’র সাবেক সহ-সভাপতি শেখ আব্দুর রশিদ, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফুল আলম নান্নু, সদস্য ইলিয়াস মলিক, রূপসা উপজেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক মোল্লা সাইফুল ইসলাম, সদস্য সচিব জাবেদ মলিক, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি উজ্জ্বল কুমার সাহা, যুবদলের সদস্য সচিব শেখ নাদিমুজ্জামান জনি, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আব্দুল মান্নান মিস্ত্রী, জাসাস সভাপতি শহিদুল ইসলাম শহিদ, সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, বিকাশ মিত্রসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা।


